বর্তমানে এ রাজ্যে কংগ্রেসের একমাত্র সাংসদ তিনিই। ভরা দুর্দিনেও মালদহ দক্ষিণ আসন থেকে হাত চিহ্নে জিতেছেন ইশা খান চৌধুরী। নিজে ৫ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন, জিতেছেন ১ লাখেরও বেশি ব্যবধানে। এ হেন ইশা খান চৌধুরী জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন অনেকখানিই! বিষয়টা ঠিক কী?
আরও পড়ুন: পারিবারিক অশান্তির জের, শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে লাইনে ঝাঁপ দিলেন বাবা


এবারের লোকসভায় হেরে গিয়েছেন কংগ্রেসের ৫ বারের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বহরমপুর কেন্দ্রে রাজনীতিতে নবাগত ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে টিকিট দেয় তৃণমূল। আর তাঁর কাছেই পরাস্ত হয়েছেন অধীর। এমতাবস্থায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা হয়তো প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকেও বহরমপুরের রবিনহুডকে সরিয়ে দিতে পারে হাইকমান্ড।

শুক্রবারই অবশ্য এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন খোদ অধীর। সাফ জানিয়েছেন, তিনি অস্থায়ী সভাপতি। কারণ, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। আর অধীর জানিয়েছেন, তাঁদের দলের নিয়মই হল সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যখন সভাপতি নির্বাচিত হয় তখন সমস্ত রাজ্যে নতুন সভাপতি ঠিক না করা পর্যন্ত ‘অস্থায়ী’ হিসাবেই কাজ করেন বিদায়ী সভাপতিরা। তাই এই মুহূর্তে নিজেকে ‘অস্থায়ী’ সভাপতি বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন বলে জানান অধীর, যতদিন না পর্যন্ত খাড়গে বিভিন্ন রাজ্যে কমিটি চূড়ান্ত করে দেবেন।
কংগ্রেসের নতুন প্রদেশ সভাপতি ইশা খান চৌধুরী? জানিয়ে দিলেন সাংসদ নিজেই



শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করার জন্য একটি বৈঠক ডাকা হয় মৌলালি যুবকেন্দ্রে। প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যালোচনা বৈঠকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক গুলাম আহমেদ মীরের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কংগ্রেসের ব্লক এবং জেলা নেতাদের একাংশ। যদিও সিংহভাগই ছিলেন অধীরের পক্ষে। বিদ্রোহীদের দাবি, শুধু মাত্র নিজে জিততে চেয়ে আর উত্তরবঙ্গের কথা ভেবে বামেদের সঙ্গে জোট করেছেন অধীর। দক্ষিণের কথা ভাবেননি।
এখন, অনেকেই মনে করছেন কংগ্রেসের নতুন প্রদেশ সভাপতি হতে পারেন ইশা খান চৌধুরী। কারণ, রাজ্যের তিনিই একমাত্র সাংসদ। এ বিষয়ে মালদহ দক্ষিণের সাংসদ বলেছেন, “আমি পার্টির সঙ্গে সবসময় আছি। পার্টিকে সবসময় সহযোগিতা দেব। দলে অনেক যোগ্য নেতা আছেন। তাদের মধ্যে আমিও একজন, অধীরবাবুও আছেন। হাইকমান্ড যাঁকে স্থির করবে, আমরা সকলে তাঁর সঙ্গে আছি।”







