দিন কয়েক আগেই একটি জনসভা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গেই রয়েছেন, কিছু নেতা তাঁকে ভুল বোঝাচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি বলেন এ রাজ্যে পাশে না থাকলেও জাতীয় স্তরে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গেই রয়েছেন। এই নামও তাঁরই দেওয়া বলে উল্লেখ করেন মমতা।
আরও পড়ুন: ক্যান্সার আক্রান্ত বাম কর্মীকে মারধর, পাটুলি থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন সৃজন
যদিও বাংলায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধ সর্বজনবিদিত। তৃণমূল সুপ্রিমোর ইন্ডিয়া জোট সম্পর্কিত বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অধীর পাল্টা বলেন, ‘‘উনি জোট থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। ওঁর কোনও কথায় আমি ভরসা করি না। এখন দেখছেন হাওয়া বদলাচ্ছে। তাই এ দিকে ভিড়তে চাইছেন। বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী দেখলে ও দিকে যাবেন।’’

শনিবার কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শরদ পওয়ার, উদ্ধব ঠাকরে-সহ ‘ইন্ডিয়া’র নেতারা লখনউয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান নিয়ে খাড়গেকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “ভোটের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কী হবে না হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধীর চৌধুরী কেউ নন। সেটা ঠিক করবে হাইকমান্ড।”

মমতার পাশে ইন্ডিয়া, ‘হয় মানো নয় বাইরে যাও’ অধীরকে সতর্ক করল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড
সঙ্গে তিনি এও বলেন, ‘‘হয় হাইকমান্ডের কথা মানতে হবে, তাদের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হবে, না হলে বাইরে যেতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বিবৃতি এসেছে। তিনি জানিয়েছেন, ‘ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে আছেন এবং সরকার গঠিত হলে তিনি তাতে শামিল হবেন।”

যদিও অধীর এসব সতর্ক বার্তাতে একেবারেই ভাবিত নন। তাঁর কথায়, “আমিও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য। আমিও হাইকমান্ডেরই লোক!”



