আগামী শনিবার রাজ্যে হাইভোল্টেজ পঞ্চায়েত ভোট। আজ বিকেল ৫ টার পর প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই শেষ মুহূর্তের প্রচারেও বিরোধীদের এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ শাসক দল। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে নানা ইস্যুতে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
"রাহুল গান্ধি পটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে বলছে এক সাথে চলব। আর এখানে, তাদের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে৷ অধীর চৌধুরী বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট৷" পাটনার বিরোধী বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে 'বিজেপির এজেন্ট' বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, "আমি এক কথার ছেলে, যা বলি তাই করি। আমি দিল্লির কাছে কোনওদিন বশ্যতা শিকার করব না। পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হওয়ায় একমাসের মধ্যে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে আন্দোলন করব।"
নবজোয়ার কর্মসূচি থামিয়েই তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ চলে। আগামী ১৩ জুন অভিষেককে সিজিও কমপ্লক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তবে অভিষেক রীতিমত ক্ষোভ উগড়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেছিলেন, "আমার সৌজন্য আমার দুর্বলতা নয়। আপনি যখন ডাকবেন, তখনই আমাকে যেতে হবে?অপচয় করার মত সময় নেই। গেলেই ৯-১০ ঘণ্টা বসিয়ে রাখবে।"
যোগ্য হাতেই দলের রাশ, শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ উড়িয়ে বিজেপির মুকুল ঝরালেন অভিষেক! '২১ নির্বাচনের কিছুদিন আগে থেকে মানুষের জন্যে কাজ করতে চেয়ে বার বার মন ব্যাকুল হচ্ছিল একাধিক তৃণমূল নেতার। নেহাতই মনের তাগিদে মানুষের সেবা করার উদ্দেশ্যে এবং সোনার বাংলা গড়তে তাঁরা সদলবলে ফুল বদলেছিলেন।