শাসক-বিরোধী কেউই কমতি রাখতে চায় না। তাই সমস্ত কর্মসূচি সম্পূর্ণ করে প্রচারের শেষদিনে ধূপগুড়ি যাচ্ছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে যাবেন মুম্বই, ইন্ডিয়া জোটের তৃতীয় বৈঠকে জোট দিতে।
রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ মেয়েকে নিয়ে তারকেশ্বর মন্দিরে আসেন রুজিরা। তাঁর আসার আগেই কোনওরকম ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তারকেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু সহ অন্যান্য কাউন্সিলরাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। পুজো দিয়ে দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ মন্দির থেকে বেরিয়ে যান।
গত শুক্রবার (২৭ জুলাই) কলকাতা থেকে রওনা দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে গিয়েছে স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়লা পাচার মামলা এবং নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম নিষেধাজ্ঞা মানতে হয়। সেই মতই ইডিকে চিঠি দিয়ে তাঁর বিদেশযাত্রার অনুমতি প্রার্থনা করে রেখেছিলেন অভিষেক। সেই আবেদনে শিলমোহর নিতেই জন্যই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।
একুশে জুলাই মিটতেই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও ২ টি এফআইআর। রবীন্দ্র সরোবর এবং হেয়ার স্ট্রীট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হল। গতকাল অভিষেক বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিলেন, অন্যদিকে INDIA শব্দের ভুল ব্যবহার করার অভিযোগে এফআইআর হয়।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। বৃহস্পতিবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
বিচারব্যবস্থা এবং একজন বিচারপতিকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হলেন সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। নাম না করেই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। মামলাকারীকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলে ডিভিশন বেঞ্চ।