জননেতার আগমনে আপ্লুত জনতা, বজ্রপাতে মৃতদের দুয়ারে অভিষেক।

জননেতার আগমনে আপ্লুত জনতা, বজ্রপাতে মৃতদের দুয়ারে অভিষেক।
জননেতার আগমনে আপ্লুত জনতা, বজ্রপাতে মৃতদের দুয়ারে অভিষেক।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ জননেতার আগমনে আপ্লুত জনতা, বজ্রপাতে মৃতদের দুয়ারে অভিষেক। সাহায্য নিয়ে পৌঁছে গেলেন বাড়ি বাড়ি। কথা বললেন সন্তান হারানো মায়ের সাথে। জড়িয়ে ধরলেন পিতাকে হারিয়ে অসহায় শিশুকে। গত কয়েকদিনে লাগাতার বজ্রপাতে রাজ্য জুড়ে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। এক দিনেই বাংলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৭ জন। তার বেশিরভাগ জনই মুর্শিদাবাদ, হুগলির। গতকাল মুর্শিদাবাদের পর আজ অভিষেক পৌঁছে গিয়েছিলেন হুগলীতে।

আরও পড়ুনঃ সুস্থতার সংখ্যা ছাপিয়ে রাজ্যে ফের বাড়ল সক্রিয় আক্রান্ত, আজ মৃত্যু ৮৭ জনের।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় দাদপুরে মহেশ্বরপুর ফুটবল মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের হেলিকপ্টার। সেখান থেকে সোজা অভিষেক পৌঁছে যান দাদপুরের সাটিথান গ্রামে বজ্রপাতে মৃত কিরণ রায়ের পরিবারের সাথে দেখা করতে। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়ায় পাশাপাশি ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেন ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ।

এরপর দুই স্থানীয় বিধায়ক অসীমা পাত্র এবং তপন দাশগুপ্তকে নিয়ে সাংসদ পৌঁছে যান বজ্রপাতে মৃত মৃত হারুন-অল-রশিদের বাড়িতে। সেখানে তাঁর স্ত্রী রেজিনা খাতুনের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি জানিয়ে দেন সর্বোতভাবে পাশে থাকার কথা। রেজিনা অভিষেক কে সামনে পেয়ে জানান, সংসারের একমাত্র রোজগেরে তাঁর স্বামীই ছিলেন। এখন দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ শশুরকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তিনি। একটি সরকারি কাজের আবেদন করেন তিনি।

রেজিনা কে আশ্বস্ত করে অভিষেক পৌঁছে যান হুগলীতে বজ্রপাতে নিহত আরও ১৭ টি পরিবারের কাছে। আর্থিক সাহায্য সহ সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। জননেতার আগমনে আপ্লুত জনতা, মৃতদের পরিবার সহ স্থানীয় এলাকাবাসী কোনদিন ভাবতেই পারেন নি খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের দুয়ারে আসবেন। এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, ‘ভোট চাইতে অনেকেই আসে কিন্তু ভোট মিটলে আমাদের খবর কে রাখে? তফাত বোঝাচ্ছেন অভিষেক বাবু।’ নিজের এদিনের অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন তৃণমূলের যুব আইকন অভিষেক। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন…

 হুগলীর পোলবা, খানাকুল এবং তারকেশ্বরে আজ বজ্রাঘাতে নিহতদের পরিবারবর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তাদের এই ক্ষতি অপূরণীয়।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমি শোকস্তব্ধ। তাদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। অসহায় পরিবারগুলির প্রত্যাশার কথা শোনার পাশাপাশি তাদের হাতে তুলে দিই কিছু সাহায্য। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি এই জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সৈনিকরাও সর্বদাই দুর্গতদের পাশে রয়েছে। হুগলী তথা সমগ্র রাজ্যবাসীর কাছে আমার আবেদন বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন এবং সুরক্ষিত থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here