গ্রেটার কৈলাসের একটি ভাড়া বাড়িকে ঘিরে সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাসকে নিয়ে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ার দাবি, তদন্তের আলোচনা এবং তাঁর দায়ের করা অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ—সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার আগে তাঁকে অন্য মন্ত্রকে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল? জাতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি, সিজেপি সেই প্রস্তাব খারিজ করায় ভেস্তে যায় কেন্দ্রের ‘প্ল্যান বি’।
নিট আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস কেন্দ্রের। মধ্যরাতের বৈঠকের পর ‘ককরোচ’ নেতৃত্বের দাবি, বিহার ও অসমের পর অন্যান্য এনডিএ শাসিত রাজ্যেও জারি হতে পারে একই নির্দেশ।
যন্তর মন্তরের আন্দোলনে ছাত্রদের উপর ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ তুলে অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন রাহুল গান্ধী। দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরও চেয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা।
৩৬ দিনের আন্দোলন শেষে যন্তর মন্তর ছেড়ে বাড়ি ফিরেই ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপক জানালেন, ধর্না শেষ হলেও আন্দোলন থামছে না। ভবিষ্যতের লড়াইয়েরও ইঙ্গিত দিলেন CJP প্রতিষ্ঠাতা।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর অমিত শাহ জানালেন, বিজেপির কাছে কোনও পদ নয়, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট করলেন তিনি।
ছাত্র আন্দোলনের দাবি মেনে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানালেন অভিজিৎ দীপক। আন্দোলন শেষ হওয়ায় আপাতত দিল্লি যাচ্ছেন না তৃণমূল নেত্রী।
নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন প্রহ্লাদ জোশী। ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাজের প্রশংসার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার আশ্বাস দিলেন তিনি।
দিল্লিতে কেন্দ্র–CJP বৈঠক শেষে বড় দাবি আন্দোলনকারীদের। ক্ষতিপূরণ ও মামলা প্রত্যাহারে ইতিবাচক সাড়া, তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত শনিবার।
নিট ইস্যুতে অচলাবস্থা কাটাতে শুক্রবার কেন্দ্র ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ ও সমাধানের পথ খুঁজতেই এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ডাক। ধর্না শুরুর আগেই রাহুল, প্রিয়ঙ্কা, অখিলেশ-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ।
দিল্লির বিক্ষোভে পুলিশি লাঠিচার্জ নিয়ে সরব রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাংবাদিক সম্মেলন না করার কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিদেশ মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিক রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন। তাঁর মতে, মোদী সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।