নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাহাড়ের স্থায়ি সমাধান চাইতেই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। আয়োজক ছিলেন রোশন গিরি। কিন্তু শনিবার কালিম্পংয়ের সেমিনারে দেখা গেল না বিমল গুরুংকে। গোর্খার ডাকা পাহাড়ের সেমিনারে অনুপস্থিত তৃণমূল-বিজেপি। অনুপস্থিত ছিলেন হামরো পার্টি, গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা সহ পাহাড়ের অন্যান্য দলের নেতারাও।


সেমিনারের পর রোশ্ন গিরি জানিয়েছেন, স্মিনার শেষে খসড়া তৈরি করা হবে। খুব শীঘ্রই তা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। সূত্রের খবর, সেমিনারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তকে। তিনি জানিয়েছেন, সংসদের কাজের জন্য ব্যস্ত থাকায় উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে পাহাড়ের আওয়াজ কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। যদিও অনদ্রের খবর, বিমল গুরুং উপস্থিত না থাকার কারণেই তিনি সেমিনারে যাননি।

উল্লেখ্য, ৫ দিনের পাহাড় সফরে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন জিটিএ নির্বাচনের জন্য সব পক্ষই সহমত পোষণ করেছে। একমাত্র রোশন গিরিরা ছাড়া। কিন্তু মাত্র কয়েক ঘন্টায় রাজনৈতিক হাওয়া বদল। একেবারে বিরোধী স্বর বিমল গুরুংয়ের বক্তব্যে। সেখানে সমস্ত দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও উপস্থিত ছিলেন না বিমল গুরুং। এরপরেই তিনি আমরণ অনশনের হুমকি দেন।
এরপর বিমল গুরুং শিবিরের তরফে রাজু বিস্তকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কী বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন গুরুং? সেই জল্পনার মধ্যেই আজ সেমিনার থেকে দূরে সরিয়ে রাখলেন বিমল গুরুং। তবে শাসক দলের চাপে পড়েই নিজেকে সরিয়ে নিলেন গুরুং?


গোর্খার ডাকা পাহাড়ের সেমিনারে অনুপস্থিত তৃণমূল-বিজেপি, ছিলেন না গুরুং

২০১৭ সালে রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারণে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। সেবার খুন হতে হয়েছিল সাব-ইন্সপেক্টর আমিতাভ মালিককে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায় সেবার। সেনা ডাকতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর সাড়ে তিন বছর অন্তর্ধানে থাকার পর ২০২০ সালে বাংলায় ফেরত আসে বিমল গুরুং৷ তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা এখনও তুলে নেয়নি রাজ্য সরকার। সেজন্যই কী এই সিদ্ধান্ত?







