‘রাজ্যে শিক্ষার হাল ফেরান’, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে আর্জি উচ্চমাধ্যমিকের ফার্স্ট বয়ের বাবার

উচ্চ মাধ্যমিকের সম্ভাব্য প্রথম আদৃত পালের বাবার আর্জি, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে বিশেষ উদ্যোগ নিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশের দিন শুধু মেধার উদযাপনই নয়, উঠে এল রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এ বছরের সম্ভাব্য প্রথম স্থানাধিকারী আদৃত পালের বাবার আবেদন ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় তিনি সরাসরি অনুরোধ জানান, “রাজ্যে শিক্ষার হাল ফেরান।”

বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করে। পরীক্ষার ৭৬ দিনের মাথায় প্রকাশিত হয় এবারের রেজাল্ট। সম্ভাব্য প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬।

ফলপ্রকাশের পর কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময়েই আদৃতর বাবা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর আবেদন, নতুন সরকার যেন শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয় এবং হারিয়ে যাওয়া মান ফেরানোর উদ্যোগ নেয়।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ লক্ষ ১০ হাজার। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রদের তুলনায় ৬৬ হাজার ৬২৩ বেশি ছিল। এ বছর এক জন তৃতীয় লিঙ্গের পরীক্ষার্থীও পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

মেধাতালিকায় মোট ৬৪ জন জায়গা পেয়েছেন। তবে সেখানে ছেলেদের সংখ্যাই বেশি। মাত্র ৮ জন মহিলা পরীক্ষার্থী মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। সংসদ জানিয়েছে, ফলপ্রকাশের দিনই স্কুলগুলির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের হাতে মার্কশিট, পাশের শংসাপত্র এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হবে।

এবারের পরীক্ষায় একাধিক নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক সংকট সামাল দিতে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদেরও পরীক্ষার গার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি একই কেন্দ্রে তিন ধরনের পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন— চতুর্থ সেমিস্টার, তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরনো সিলেবাসের পরীক্ষার্থীরা।

ফলপ্রকাশের দিনে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে আদৃত পালের বাবার আবেদন তাই শুধুমাত্র ব্যক্তিগত মতামত নয়, বরং রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বৃহত্তর প্রত্যাশার প্রতিফলন বলেই মনে করছে শিক্ষা মহল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর