এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। নিজেদের মতাদর্শগত বিরোধকে সরিয়ে সব দল জোটবদ্ধ হয়েছে। এখানে উন্নয়ন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদীজির নেতৃত্বে ভরসা রাখছেন পাহাড়বাসী।'
সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে। তার কারণ হল, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে দিল্লিতে তাঁর সাক্ষাৎ। অনেকেই মনে করছেন এবার তৃণমূলের টিকিটে দার্জিলিংয়ে প্রার্থী হতে পারেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা। পাহাড় নিয়ে স্বামী-গুরুংয়ের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বড় ভাঙন তৃণমূল শিবিরে। পাহাড়ে অনীত থাপার হাত ধরে ক্ষমতা দখল করলেও তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন বিনয় তামাং। বিমল গুরুংয়ের দিল্লির সভায় উপস্থিত থাকার পরেই দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন তিনি। যা আগামী দিনে তৃণমূলের জন্য বিরাট ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।
উত্তাপের আঁচ সরিয়ে আজ পাহাড়ে চলছে জিটিএ এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচন। সকাল সাতটা থেকে শুরু নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন কার্শিয়াং কেন্দ্রে ভোট দিলে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সভাপতি অনিত থাপা। কিন্তু ভোট বয়কট করলেন বিমল গুরুং। গোপন সূত্রে খবর, নির্বাচন মিটলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি।
ইতিমধ্যেই তাঁর শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। রবিবার গুরুং সাক্ষাতে জন-রাজু। গুরুংকে দেখতে অনশন মঞ্চে উপস্থিত হলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত এবং জন বার্লা। গুরুংকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তাঁরা।
জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে হেঁটে সিংমারিতে দলীয় কার্যালয়ের বাইরে অনশনে বসেছেন বিমল গুরুং। তিন ধরে অনশনে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন তিনি। এরই মধ্যে গোর্খা জনমুক্তির মোর্চার কেন্দ্রিয় কমিটির বার্তা, রাজ্যের বার্তার আশায় না থেকে অনশন ভেঙে ফেলুন। কিন্তু রাজ্যের তরফে কোনও বার্তা না মেলা অবধি অনশন মঞ্চ ছাড়তে নারাজ মোর্চা সুপ্রিমো।