নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি জিটিএ নির্বাচনে তাঁর কথায় কোনও ভ্রুক্ষেপ না করেই পাহাড়ে হয়েছে নির্বাচন। অনশন আন্দোলনে পাশে পাননি তৃণমূলকে। পাহাড়ে বিমল জমানার শেষ হয়েছে একথা নিজেই বুঝতে পেরেছেন গুরুং। শনিবার গুরুংয়ের দিল্লি সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কী তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানছেন গজমম প্রধান? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ Firhad Hakim: ফিরহাদের মন্তব্যে অস্বস্তি তৃণমূলের, নারদ মামলা কী ষড়যন্ত্র!


যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে জল্পনা উড়িয়েছেন গুরুং নিজেই। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে ওঠার আগে বিমল গুরুং বলেন, দিল্লির তালকাটোরা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক সামাজিক অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানেই উপস্থিত হবেন তিনি। এছাড়াও মোর্চার সেন্ট্রাল কমিটির বৈঠক রয়েছে। দেরাদুনে কয়েকজন নেতাদের নিজে আমন্ত্রন জানাবেন বলেই দিল্লি যাচ্ছেন।

জিটিএ নির্বাচনে পাহাড়ে সেভাবে দাঁত ফোঁটাতে পারেনি বিমল গুরুংয়ের দল। বরং পুরসভা নির্বাচনে এবং জিটিএর নির্বাচনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ফলাফলে স্পষ্ট পাহাড়ে আর জায়গা নেই। আগামী বছরে পঞ্চায়ের নির্বাচন তার আগে বিজেপির সঙ্গে জোট জরুরী বলে মনে করছে গুরুং শিবির।
তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি! কোথায় গেলেন গুরুং

কারণ, দীর্ঘ সময় অন্তরালে থাকলেও বিজেপির হয়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিলেন গুরুং। অন্তরাল থেকে ফিরে এসে তৃণমূলের হাত ধরেন তিনি। এতে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা কিছু হয়নি। সেকারণেই ফের বিজেপির সঙ্গে জোট করতে দিল্লি গেলেন গুরুং?









