নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চম দিনের মাথায় পড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের অনশন কর্মসূচি। ইতিমধ্যেই তাঁর শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। রবিবার গুরুং সাক্ষাতে জন-রাজু। গুরুংকে দেখতে অনশন মঞ্চে উপস্থিত হলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত এবং জন বার্লা। গুরুংকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তাঁরা।


ইতিমধ্যেই একাধিক সমস্য দেখা দিয়েছে তাঁর শরীরে। কিন্তু অনশন তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। অনশন মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন নিরজ জিম্বা। গুরুংয়ের শারীরিক পরিস্থিতি দেখার পর চিকিৎসক বলেন, গুরুংয়ের শারীরিক পরিস্থিতি এই মুহূর্তে খুবই খারাপ। রক্তচাপ ওঠানামা করছে। প্রস্রাবে রক্ত আসছে। হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত। সোডিয়াম ও পটাশিয়ামও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ছে।

২৬ জুন জিটিএ নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার পর থেকেই অনশনে বসেছেন বিমল গুরুং। গুরুংয়ের দাবী, সরকারের কথা ছিল তরাই এলাকার ৩৯৬ টি মৌজা জিটিএর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই দাবি মানা হয়নি। সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না। তিন চান দ্রুত এ বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করুক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলেছিলেন পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান করবেন। সেকথা কেন্দ্র সরকার আমাদেরকে আগে বলেছিল। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। এখন এই সরকারও কর্ণপাত করতে চায় না।



অন্যদিকে জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিজেপি এবং জিএনএলএফ। জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতায় গুরুংয়ের পাশে থাকতে চান তাঁরা। গুরুংয়ের অনশন প্রসঙ্গে জনা বার্লা বলেন, আমরা অনেক দিন একসঙ্গে কাজ করেছি। আর দার্জিলিংয়ের ভালোর জন্য আমাদের গুরুংকে প্রয়োজন। রাজ্য সরকার পাহাড়ের ভালোর জন্য কোনও চিন্তা করে না। আমরাও জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে।
গুরুং সাক্ষাতে জন-রাজু, অনশন তুলে নিতে আবেদন

শনিবার গুরুংয়ের অনশন মঞ্চে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বুলুচিক বরাইক। বুলুও গুরুংকে অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু, অনশন তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গুরুং।







