নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোটে পাহাড়ে ‘মহাজোট’। পরস্পর বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একমঞ্চে আনল বিজেপি। হাত মেলালেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং এবং হামরো পার্টির অজয় এডওয়ার্ড। এর সঙ্গে রয়েছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক দল।
আরও পড়ুন: Panchayat-র আগেই উত্তপ্ত বাংলা! ফের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ফেরার পথেই মৃত্যু বাম প্রার্থীর


রবিবার দার্জিলিঙের জিমখানা ক্লাবে বৈঠকে বসে দলগুলি। সেখানেই ‘মহাজোট’ গঠনে শিলমোহর পড়ে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইউনাইটেড গোর্খা মঞ্চ’। সেই মঞ্চই এখন পাহাড়-রাজনীতির চর্চায়। তবে কি পাহাড়ে কোণঠাসা হচ্ছে তৃণমূল? উত্তর হিসাবে নানা প্রসঙ্গ উঠে আসছে।

যে ভাবে অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি ভাঙিয়ে অনীত থাপার ও তৃণমূল দার্জিলিং পুরসভা দখল করে তা ভালো ভাবে নেয়নি পাহাড়ের মানুষ। অজয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাইছিলেন। কিন্তু সেই জায়গায় কার্যত তাঁকে পিছন থেকে ছুরি মেরেছে শাসকদল।



অন্যদিকে বিজেপির সঙ্গে ত্যাগ করে তৃণমূলের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলছিলেন বিমল গুরুং। কিন্তু পুর ভোটে ভালো ফল না হওয়ায় তাঁর সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখেনি দল। সব মিলিয়ে নানা ভাবে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ হাওয়ার রাস্তা তৈরি করেছে শাসকদল, তেমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।
পঞ্চায়েত ভোটে পাহাড়ে মহাজোট, বিজেপির লোকসভার টার্গেট কী উত্তরবঙ্গ থেকেই?

এই জোট নিয়ে দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা জানান,‘পাহাড়-তরাই ডুয়ার্স নিয়ে তৃণমূলের বলার মতো মুখ নেই। এই অঞ্চলকে লুঠেছে তারা। এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। এবার তৃণমূল ভয় পেয়েছে। নিজেদের মতাদর্শগত বিরোধকে সরিয়ে সব দল জোটবদ্ধ হয়েছে। এখানে উন্নয়ন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদীজির নেতৃত্বে ভরসা রাখছেন পাহাড়বাসী।’







