ভোটের আবহে কলকাতার বেলেঘাটায় তৃণমূলের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেজরিওয়াল। তাঁর সরাসরি প্রশ্ন, “এত কিছুর পরেও যদি বাংলায় বিজেপি হারে, তা হলে কি মোদীজী ইস্তফা দেবেন?”—এই মন্তব্যেই চড়ল নির্বাচনী উত্তাপ।
ত্রিণমুল প্রার্থী কুনাল ঘোষের সমর্থনে প্রচারে এসে কেজরিওয়াল বলেন, এই নির্বাচন শুধু রাজ্যের ভোট নয়, “দেশ বাঁচানোর লড়াই”। তাঁর দাবি, গোটা দেশ নজর রাখছে বাংলার দিকে—এখানকার ফল জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।


প্রচারে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। কেজরিওয়ালের বক্তব্য, “এত বাহিনী কেন? সাধারণ ভোটারদের কি সন্ত্রাসবাদী মনে করা হচ্ছে?” একইসঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি—অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কেজরিওয়াল বলেন, জনপ্রিয়তা কমতে থাকায় বিরোধীদের উপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে। নিজের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা “মিথ্যা” ছিল। পাশাপাশি বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতার-র ভূয়সী প্রশংসা করেন কেজরিওয়াল। তাঁর কথায়, “দিদি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, মানুষের জন্য কাজ করছেন”—এটাই বাংলার শক্তি।


সব মিলিয়ে, বেলেঘাটার এই সভা থেকে কেজরিওয়ালের বার্তা স্পষ্ট—লড়াই শুধু রাজ্যের নয়, বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষিতেও তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।







