নজরবন্দি ব্যুরোঃ জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে হেঁটে সিংমারিতে দলীয় কার্যালয়ের বাইরে অনশনে বসেছেন বিমল গুরুং। তিন ধরে অনশনে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন তিনি। এরই মধ্যে গোর্খা জনমুক্তির মোর্চার কেন্দ্রিয় কমিটির বার্তা, রাজ্যের বার্তার আশায় না থেকে অনশন ভেঙে ফেলুন। কিন্তু রাজ্যের তরফে কোনও বার্তা না মেলা অবধি অনশন মঞ্চ ছাড়তে নারাজ মোর্চা সুপ্রিমো।
আরও পড়ুনঃ বাম-রাম ঘুরে এবার তৃণমূলে খগেন, দিদির দলে নাম লেখাবেন জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে!


এদিন মোর্চার কার্যকারী সভাপতি লোপসাং লামা বলেন, সেন্ট্রাল কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিমল গুরুংকে অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে , কিন্তু তিনি রাজি হচ্ছেন না। তিনি জানিয়েছেন, গুরুং বলছেন রাজ্য থেকে যতক্ষণ না পর্যন্ত বার্তা আসছে ততক্ষণ তিনি অনশনে বসে থাকবেন। আমরা চেষ্টা করছি।

গত তিন দিন ধরে একাকি লড়ে যাচ্ছেন গুরুং। মুখে বিজেপি এবং তার সমর্থনের কথা বললেও পরে কেউ দেখা করতে আসেনি। শুধুমাত্র এসেছেন ভারতীয় গোর্খা সুরক্ষা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা এস.পি শর্মা। সঙ্গে রয়েছেন দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী বিমল দাজু। পাহাড়ে গুরুংয়ের সমর্থন যে কমেছে সেটা ভালোমত আন্দাজ করা যাচ্ছে। ঠিক যেন রাজ্যপাট হারানো রাজার মতো অবস্থা গুরুংয়ের।
শুক্রবার গুরুংয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান হামরো পার্টির অজয় এডওয়ার্ডস্। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিমলপন্থীরা। শুরু হয় গো গ্যাক স্লোগান। অজয় এডওয়ার্ড জানান , শারীরিক দুর্বলতা থাকার দরুন বিমল গুরুং এর খোঁজ খবর নিতে গিয়েছিলেন তিনি ।


গত মাসেই একাধিক দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন বিমল গুরুং। পাহাড়ে বৈঠক করেই মমতা বুঝতে পেরেছিলেন গুরুং আগের মতো জনপ্রিয় নয়। তার হাতে নাতে উদাহরণ হল পুর নির্বাচনে হামরো পার্টির বিপুল জয়। তাই বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি নবান্ন। একসময় মেঘের আড়াল থেকে বিজেপিকে জেতানোর পর পাহাড়ে ফিরে গুরুং কী তবে হাসির খোরাক! যদিও গোটা বিষয়টাকে ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচে রেখেছে নবান্ন।
রাজ্যের বার্তার আশায় না থেকে অনশন ভেঙে ফেলুন, গুরুংকে জানাল দল

মোর্চার নেতাদের কথায়, একটানা অনশনে গুরুংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাই তাঁর অনশন ভেঙে ফেলাই উচিত।








