বঙ্গে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। রাজ্যজুড়ে রয়েছে শীত শীত ভাব। আর এরই মাঝে দুঃখের কথা শোনাল আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ও তামিলনাড়ুর উত্তর উপকূল পর্যন্ত তৈরি হবে নিম্নচাপের অক্ষরেখা।
শীতে শুধু প্রকৃতির পরিবর্তন হয় তাই নয়, শরীরেও বহু পরিবর্তন সাধিত হয়। প্রকৃতিতে তাপমাত্রার ওঠানামার সঙ্গে দেহেও তাপমাত্রার প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে শীতকালে, ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে থাকা রক্তনালী সংকোচনের ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। স্ট্রোকের অন্যতম কারণ এই উচ্চ রক্তচাপ। এদিকে প্রচণ্ড ঠান্ডায় আবার রক্ত গাঢ় হয়ে কিছুটা চিটচিটে হয়ে যায়। এর ফলে বেড়ে যায় রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনাও।
রাজ্য জুড়ে শুরু হয়ে গাছে শীতের ইনিংস। আগামী কিছুদিন আরও নামতে পারে তাপমাত্রা। শহরে ভোরের দিকে ভরপুর শীতের আমেজ, সন্ধের পরে ফের নামছে তাপমাত্রা। কলকাতার তাপমাত্রা আজও স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি নীচে।
তবে এসবের পরও মূল কথা হলো, শরীর ভেতর থেকে আর্দ্র না হলে এর ছাপ পড়বে ত্বকের ওপর৷ তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। দিনে কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি খাওয়া আবশ্যক৷ ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন
নভেম্বরে মাসেই হু হু করে নামছে পারদ। রাজ্যে শুরু হয়েছে শীতের মরশুম। সপ্তাহের প্রথম দিনের সকাল থেকে ঠাণ্ডার ভরপুর আমেজ কলকাতা জুড়ে। শুধু কলকাতা শহরই নয় ঠাণ্ডার রেশ বাড়তে শুরু করেছে জেলাগুলিতেও। সোমবার এক ধাক্কায় তাপমাত্রার পারদ ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামল।
বঙ্গে শুরু শীতের হাওয়া। রবিবার সকালে তাপমাত্রার পারদ এক ধাক্কায় নেমেছে ১৮ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ আজই কলকাতায় মরশুমের শীতলতম দিন।নভেম্বরের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গ এবং কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭-১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে।