চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসছেন অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার সড়কপথেই তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। পুলিশের পাইলট কারেই কলকাতা আসছেন তিনি। এদিন কলকাতায় আসার পথে শক্তিগড়ে সন্ধ্যেবেলা দাঁড়াল অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। আগের সময় হলে এখান থেকে ল্যাংচা খাওয়া ছিল মাস্ট!
জেল থেকে বেরোনোর পর থেকেই অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা। এদিন কঙ্কালীতলা মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময়ও তিনি বাবার পাশে উপস্থিত ছিলেন। পুজো দিয়ে বেরিয়ে অনুব্রত জানান, তাঁর শরীর বিশেষ ভালো নেই। বিশেষ করে পায়ের একটি সমস্যা তাঁকে ভোগাচ্ছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, "জেল খেটে বেরিয়ে ৫০ হাজার লোক নিয়ে বহরমপুর মেডিকেল কলেজে যাব। দলের কোনও সাহায্য নেব না। হুমায়ুন কবীরের ক্ষমতা আছে ৫০ হাজার লোক যোগাড় করার। সব বুঝে নেব আমি।"
সরকারি কাজের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রায় বছর খানেক আগে থেকেই নানান প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি কাজে নজরদারির অভাব ও আমলাতান্ত্রিক দুর্বলতা নিয়ে ক্ষোভ ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের মনে। সরকার বহু পরিকল্পনা হাতে নিলেও তা রূপায়নে গাফিলতি থেকে যাচ্ছে বলে দলের অন্তরে সরব হন অভিষেক।
গণশক্তির সম্পাদক শমীক লাহিড়ি কুণাল ঘোষকে কটাক্ষ করে এক ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, "কুণালবাবু খবরের কাগজের নিয়মকানুন জানেন। তা সত্ত্বেও প্রচারের আলোয় থাকতে এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছেন।"
বুধবার ফের একবার সাজো সাজো রব তৃণমূল কার্যালয়ে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হল জেলা কোর কমিটির একাধিক তৃণমূল নেতার ছবি। অনুব্রত জেলে যাবার পর যে কমিটি তৈরি করে দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।