ইডির তলবের পর থেকেই একাধিক কর্মসূচি বাতিল করেছেন সায়নী ঘোষ। তাছাড়াও এই প্রসঙ্গে কোথাও প্রতিক্রিয়াও দেননি তিনি। এবার সেই ইস্যুতে সায়নী ঘোষকে নিশানা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বললেন, "যুব তৃণমূল নেত্রী বোধ হয় ভয় পেয়েছেন। এরপর সিনেমা বেরবে সায়নী অন্তর্ধান রহস্য। আমরা শুনেছি যুব তৃণমূল নেত্রী সায়নী যে গাড়ি চড়েন সেটাও কুন্তলের টাকায় কেনা। কিন্তু এরকম একজন অভিযুক্তের টাকায় কেন গাড়ি চড়েন সায়নী? সেই উত্তর শুরু উনি বলতে পারবেন।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের অপব্যবহার করেছেন। বিএসএফ-কে মিথ্যা দোষারোপ করে মমতা দুষ্কৃতী, গুন্ডা, চোরাকারবারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। আমার বিশ্বাস, বিএসএফ তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীদের হাত থেকে আমাদের রাজ্যকে রক্ষা করবে
সোমবার কোচবিহারে পঞ্চায়েতের প্রচারে গিয়ে বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শোনা গিয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমার কাছে খবর আছে যে, পঞ্চায়েতের আগেই বিএসএফ বর্ডারে বর্ডারে মানুষকে ভয় দেখাবে।" আর মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে জেরেই ভোটের আগেই নতুন করে শোরগোল ছড়িয়েছে।
বেজে গিয়েছে পঞ্চায়েত ভোটের দামামা। আগামী মাসের ৮ তারিখ রাজ্যের হাজার হাজার আসনে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই কারণে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে প্রতিটি রাজনৈতিক দল। এবার তিন জেলায় বিভক্ত হয়ে প্রচারের দায়িত্ব নিলেন বিজেপির তিন হেভিওয়েট নেতা।
আসন্ন পঞ্চায়েত! এহেন পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েতে নিজের আসন দখলে মরিয়া রাজনৈতিক দলগুলি। সভার পাল্টা কর্মসূচী! হুঙ্কারের বদলে হুঁশিয়ারি! পিছিয়ে নেই কোনও রাজনৈতিক দলই। যার দরুন ভোটের আগেই উত্তপ্ত বাংলা! আর ঠিক এই মুহূর্তেই খোদ রাজ্য সভাপতির পাড়াতেই বিজেপি প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল! যার জেরে নতুন করে শোরগোল ছড়াল গোটা এলাকায়।