জরুরি ভিত্তিতে বাংলার বিজেপি নেতাদের তলব করল গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার একটি বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য দিল্লিতে ডাকা হয়েছে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীকে। রবিবার বিকেলেই তাঁরা রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
ভোট গণনার দিন প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা ছিল। এবার, বালুরঘাট সদরের বিডিও স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন যে কলেজের গণনাকেন্দ্রে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা ও তার মেমোরিকার্ড চুরি হয়ে গিয়েছে। আর এই বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি প্রশ্ন তুললেন, প্রমাণ লোপাটের জন্যই কি উধাও ক্যামেরা ফুটেজ?
গণনার দিন রাত একটা থেকে প্রায় ভোর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত বালুরঘাট পুরসভার সামনে ধর্নায় বসলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অভিযোগ, বালুরঘাটের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি আসনে বিজেপি জিতে যাওয়ার খবর আসার কিছুক্ষণ পরেই আবার তৃণমূলকে জয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
পঞ্চায়েত ভোটের সকাল থেকেই বাংলা জুড়ে তান্ডবলীলা চলছে। কোথাও ব্যালট লুঠ! কোথাও আবার ছাপ্পা! কোথাও বোমাবাজি, সংঘর্ষ, প্রাণহানির ঘটনা প্রতি মুহূর্তে উঠে আসছে। শাসক হোক বা বিরোধী শিবির রক্ত ঝরছে বাংলাজুড়ে। আর এই সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না বাংলার মানুষজন। বাংলার এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরাও।
রবিবাসরীয় প্রচারে বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভার চন্ডীপুরকে নির্বাচন করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বললেন। লক্ষ্য ছিল জনসংযোগ বৃদ্ধি। গিয়েছিলেন চৈতন্যপুর গীতাভবনেও। সেখানে পুজো দেবার পাশাপাশি তিনি কথা বলেন পূজারী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। এরপর চলবে ময়ূরেশ্বর ও মহম্মদ বাজারেও জনসংযোগ ও মহামিছিল।