নজরবন্দি ব্যুরো: বেজে গিয়েছে পঞ্চায়েত ভোটের দামামা। আগামী মাসের ৮ তারিখ রাজ্যের হাজার হাজার আসনে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই কারণে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে প্রতিটি রাজনৈতিক দল। এবার তিন জেলায় বিভক্ত হয়ে প্রচারের দায়িত্ব নিলেন বিজেপির তিন হেভিওয়েট নেতা।
আরও পড়ুন: প্রয়াত মহীনের শেষ ‘ঘোড়া’, চিরঘুমের দেশে বাপিদা


নির্বাচনে ভালো ফল করতে প্রচারের বিকল্প নেই। রাজনীতিতে মানুষের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টায় কোনো ত্রুটি থাকতে নেই। শনিবার তিন জেলায় বিজেপির তিন নেতা নির্বাচনী সভা করলেন। কল্যাণীতে জনসভা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মায়াপুরে ছিলেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর কুলতলিতে সভা করলেন বর্তমান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিন নেতাকে দেখতেই মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। সভা থেকেই তৃণমূল মুক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত গঠনের ডাক দেন শুভেন্দু, দিলীপ এবং সুকান্ত।

অন্যদিকে, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও প্রচারে খামতি রাখতে চাইছে না। প্রচারের ময়দানে নামছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া রাজ্যের প্রথম সারিরি একাধিক নেতামন্ত্রীকে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন দলনেত্রী। তাঁরাও সেই কাজ চলে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য প্রচার শুরু করবেন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলা থেকে।

পঞ্চায়েতে জিততে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস অনেক দিন ধরেই সাংগঠনিক শক্তিকে মজবুত করার দিকে জোর দিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই প্রায় দু’মাস ব্যাপী ‘নবজোয়ার’ যাত্রা করে রাজ্যের আনাচে কানাচে ঘুরে দেখেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি অবশ্য ভালো ফল করতে বদ্ধপরিকর। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্যে নির্বাচনের প্রাক্কালে হিংসার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে শাসক দল। ১৬ দিনে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ১০ জন। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই হবে পঞ্চায়েত ভোট। এখন পঞ্চায়েতে শেষ হাসি কারা হাসে সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


চলছে জোর কদমে প্রচার, তিন জেলায় বিভক্ত বিজেপির তিন হেভিওয়েট নেতা









