"আমি প্রথম থেকেই জানতাম এটা হবে! পশ্চিমবঙ্গে এই রকমের রাজনীতি চলে। বাইরনই আসল মীরজাফর!" বাইরন বিশ্বাসের দলবদলের ঘটনায় কটাক্ষ করে এমনটাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যটাকে পিছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। দেশের সুরক্ষার সঙ্গে যারা যুক্ত প্রত্যেক সংস্থাকে আক্রমণ করছেন তিনি। উদ্দেশ্য, পশ্চিমবঙ্গকে ভারতবর্ষ থেকে আলাদা করার চক্রান্ত চলছে। সোমবার উলুবেড়িয়ার এক সভা থেকে রাজ্যের শাসক দল ও তৃণমূলকে আক্রমণ করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
অমিত শাহের সফরকালে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে গেরুয়াপন্থী সংগঠন খোলা হাওয়ার তরফে। সেই অনুষ্ঠানে অমিত শাহের সঙ্গে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। শেষ মুহুর্তে বদলে গেল আমন্ত্রণপত্রের মলাট। রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর পরিবর্তে সুকান্ত মজুমদারের নাম দেখা গেল আমন্ত্রণপত্রে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছে সুকান্ত জানিয়েছেন, বাংলার জনগনকে উনি জানেন না, চেনেন না। প্যারসুট নিয়ে নেমেছেন। বাংলার মাটি কি কোনদিন দেখেননি। গ্রামেও কোনদিন যাননি। এখন যাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে বাসভাড়া হয়েছে। প্যান্ডেল হচ্ছে, তাঁবু হচ্ছে। ফাইভ স্টার তাঁবু তৈরি হবে।
রবিবারের পর সোমবারেও উত্তপ্ত হুগলির রিষড়া। সোমবার রাত থেকে একাধিক জায়গায় বোমাবাজির খবর মিলেছে। যার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকে রিষড়া জুড়ে জারি ১৪৪ ধারা। একাধিক জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল থেকে হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখায় একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। গলে দুর্ভোগে আম জনতা।
রবিবার রিষড়ার ঘটনার পর সোমবার সকালে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু রিষড়া যাওয়ার পথেই তাঁর কনভয় আটকাল পুলিশ। সেখানেই গাড়িতে বসে থাকলেন বালুরঘাটের সাংসদ। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো। আসলে ভিতরে কি চলছে সেটা কাউকে জানতে দেওয়া হচ্ছে না। সেকারণেই আটকে দেওয়া হচ্ছে। বক্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতির।