নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে উত্তপ্ত রাজ্য বাংলা! রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে বারংবার উঠে আসছে অশান্তি-হিংসার ঘটনা। প্রাণহানি ও ঘটেছে। আর এই সমস্ত হিংসার ঘটনায় বারংবার বিরোধীদের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল। যদিও বা পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি ঘাসফুল শিবিরও। কোচবিহারের সভামঞ্চ থেকে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার জেরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি!
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র শীতলকুচি, চলল গুলি জ্বলল বাইক!


এহেন পরিস্থিতিতে একবার ফের মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্যের জেরে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়ে ট্যুইটারে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, “বানিয়ে কথা বলাতে এতদিন জানতাম টেনি দা শ্রেষ্ঠ, কিন্তু এখন জানলাম কালীঘাটের ‘টেনিদি’ আরো মারাত্মক! মিথ্যাচারই মুখ্যমন্ত্রীর আসল অস্ত্র! ধিক্কার জানাই!! ধিক্কার!! ভোট আসলেই কালীঘাটের ‘টেনিদি’ মিথ্যে কথা প্রচার করেন। এখনকার কলিযুগে সবটাই কালীঘাটের ‘টেনিদি’র ঢপের চপ!”

প্রসঙ্গত, এর আগেও কোচবিহারে বিএসএফ-কে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, “বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। বাস্তবে তিনি বিজেপিকে ভয় পেয়ে প্রচারে নেমেছেন।



আসলে দুর্নীতির দায়ে তৃণমূলের পায়ের নিচের মাটি আলগা হয়ে যাচ্ছে। সেজন্যই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নার্ভাস হয়ে পড়ছেন। আর এই ভয়েতেই তিনি সবরকম হিংসা এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির করার চেষ্টা করছেন। আসলে এই সব কিছুর মাস্টারমাইন্ড হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।”
ভোট এলেই কালীঘাটের ‘টেনিদি’ মিথ্যাচার শুরু করেন, উল্টো রথে মমতাকে ব্যাপক আক্রমণ সুকান্তর

এপ্রসঙ্গে সুকান্ত আরও লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের অপব্যবহার করেছেন। বিএসএফ-কে মিথ্যা দোষারোপ করে মমতা দুষ্কৃতী, গুন্ডা, চোরাকারবারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। আমার বিশ্বাস, বিএসএফ তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীদের হাত থেকে আমাদের রাজ্যকে রক্ষা করবে।”







