নজরবন্দি ব্যুরো: বর্তমানে পরিস্থিতিতে বিদ্রোহের আগুন যেন দাউ দাউ করে জ্বলছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। দলের আদি নেতা থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের একাংশ কে ঘিরে...
‘সিবিআই ইনভেস্টিগেশন রিকোয়ার্ড’। এই বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে এটা কোন বিরোধী নেতার বক্তব্য। তাই দলের অন্দরে অনেকেই মনে করছেন ফের একবার মন্তব্যের জন্য বিপাকে না পড়ে যান। কিন্তু বিপাকে না পড়লেও অস্বস্তিতে পড়লেন রূপা।
সুকান্তর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় রবিবার সকাল থেকেই। শরীরে আচমকাই কমে যায় অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা। সূত্রের খবর তাঁর স্যাচুরেশন ঘোরাফেরা করছে ৯৩-৯৫ এর মধ্যে, যা স্বাভাবিকের থেকে কম। সূত্র বলছে তিনি করোনার ডেল্টা মিউটেশনে আক্রান্ত।
নতুন কমিটিতে তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে থাকা নেতাদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিজেপি সুত্রের খবর, ৩১-৩২ জনকে নিয়ে নতুন রাজ্য কমিটি গড়া হবে। তাতে ৭-৮ জন মহিলা জায়গা পাবেন। বেশ কিছু রদবদল হতে পারে সহ-সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক স্তরে।
যদিও বিজেপি রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদার মনে করছেন, বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে থাকলে বিপদ বাড়বে তৃণমূলের। সেই কারনেই বামেদের দ্বিতীয় স্থানে উঠিয়ে এনেছে তৃণমূল। কারন ২০২৬ সালের নির্বাচন জিততে গেলে বামেরাই হবে তৃণমূলের জয়ের কাণ্ডারি।
সেই কারনের এবার সমস্ত দিক বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী বঙ্গবিজেপি শিবির। শোনা যাচ্ছে, এবার এমন কাউকে দায়িত্ব দিতে চাইবে না দল যাকে নিয়ে কার্যত মুখ কালো হয় গেরুয়া শিবিরের।