বিজয়া দশমী করতে এবার শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে উপস্থিত হচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সূত্রের খবর, শান্তিকুঞ্জে যাচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার। শিশির অধিকারীর জন্য কিনেছেন ধুতি পাঞ্জাবি। সঙ্গে নিয়েছেন মিষ্টি। এর পিছনে রাজনৈতিক কারণ? যদিও সুকান্ত ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, শুধুমাত্র সৌজন্যতার কারণেই যাচ্ছেন বিজেপি সভাপতি।
কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ইচ্ছে মত কাজে লাগানো হচ্ছে রাজনীতির স্বার্থে। অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারির পরের দিনেই ইডি এবং সিবিআই এর 'অনৈতিক' হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের প্রতিটি জেলায়। এদিকে সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী বা দিলিপ ঘোষরা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়েই রাজ্যের সরকার ভেঙে দিয়ে ফের হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন।
আজ প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার আগামী ৭ সেপ্টেম্বর নবান্ন অভিযানের ডাক দেন। নবান্ন অভিযানে বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মী-সমর্থকদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন আত্মবিশ্বাসী যে বিরোধীদের এই কর্মসূচি মোটেও সফল হবে না তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবি জানান।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিলেন, বঙ্গ রাজনীতি নিয়ে। চিঠিতে পার্থ চ্যাটার্জিকে 'বলির পাঁঠা' বলার সাথে ১৯ জন তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সম্পত্তি মামলায় যে সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডিকে যুক্ত করেছে কলকাতা হাই কোর্ট, চিঠিতে সে কথা জানিয়েছেন সুকান্ত।
বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বুথ, মণ্ডল, জেলা এবং রাজ্য কমিটির সভাপতি পদ ঠিক হয় নির্বাচনের মাধ্যমে। তবে এখন যে অঞ্চল, ওয়ার্ড, ব্লক কমিটি তৈরি হবে সেটা হবে মনোনয়নের মাধ্যমে। সভাপতির পরিবর্তে এই কমিটিগুলির মাথায় আহ্বায়ক (কনভেনার) থাকবেন।
জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে তোপ দেগে ফের গণ ইস্তফা দিলেন দলের নেতারা। জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন তারা। জেলা কমিটি আজ ইস্তফা দেন আরও ৫ সদস্য। এই ৫ জন কে নিয়ে এক সপ্তাহে ২০ জন জেলা কমিটি থেকে ইস্তফা দিলেন।