নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেলা হবে দিবস ঘোষনার পর থেকে তৃণমূল কর্মীদের হামলা বেড়ে গিয়েছে বিজেপি কর্মীদের উপরে। এমনটাই অভিযোগ নিয়ে মঙ্গলবার রাজভবনে গিয়ে ক্ষোভ জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর অভিযোগ রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিজেপির কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুনঃ শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের হুঁশিয়ারি, একই মঞ্চে গর্জে উঠলেন সুশান্ত-সেলিম
তাঁর কথায়, বিজেপি কর্মীদের উপরে হামলা করে ছাড় পাবেনা কেউ। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া গোরু ও কয়লা পাচার সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রী জড়িত থাকলে ওঁর বাড়িতেও যাবে ED-CBI।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ”যেভাবে একের পর এক মন্ত্রী, তৃণমূলের নেতারা চুরি, গোরু পাচার এবং বেআইনি টাকা রাখার দায়ে ধরা পড়ছেন, তাতে গণতান্ত্রিক ভাবে তৃণমূল সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে। বাংলার বাসে, ট্রামে চোর চোর শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হিংসাই একমাত্র আশ্রয় তৃণমূলের। গণতান্ত্রিক ভাবে লড়তে না পেরে, আদর্শের লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে, পুলিশকে সামনে রেখে এই কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।”

সুকান্ত ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বা অনুব্রত মণ্ডলেই গ্রেফতারির লাইন শেষ হবেনা। গরু পাচার থেকে শুরু করে স্কুল সার্ভিস সহ একাধিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন রাজ্যের শাসক দলের অনেক হেভিওয়েট নেতা। এছাড়া সম্পত্তি বৃদ্ধি মামলাতেও নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৯ জন নেতা মন্ত্রীর। তৃণমূলের অভিযোগ সব কিছুর পিছনেই হাত রয়েছে বিজেপির।
পার্থ-অনুব্রতর পর কে? প্রায় ২০ জন নেতা মন্ত্রী রয়েছে ইডি-সিবিআই স্ক্যানারে।

কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ইচ্ছে মত কাজে লাগানো হচ্ছে রাজনীতির স্বার্থে। অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারির পরের দিনেই ইডি এবং সিবিআই এর ‘অনৈতিক’ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের প্রতিটি জেলায়। এদিকে সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী বা দিলিপ ঘোষরা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়েই রাজ্যের সরকার ভেঙে দিয়ে ফের হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন।



