নজরবন্দি ব্যুরোঃ শাসক দলের একের পর এক নেতাদের একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। তাই শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে জেলায় জেলায় প্রতিবাদে নামল বামেরা। মঙ্গলবার জেলাশাসক দফতর ঘেরাও অভিযান চালানো হয় বামেদের তরফে। সেখান থেকে শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ। জেলায় শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের হুঁশিয়ারি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা।
আরও পড়ুনঃ Jammu and Kashmir: খাদে পড়ল সেনা জওয়ানদের বাস, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা
তিনি বলেন, শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যদের চেহারা,পুরসভার সদস্যদের চেহারা এবং মন্ত্রীসভার সদস্যদের চেহারা এই ১০ বছরে কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। ব্যাখা করে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করার প্রয়োজন নেই। ২০১১ সালে, ২০১৬ সালে এবং ২০২১ সালে যে হলফনামা দিয়েছিলেন, তাতে সম্পত্তি কতগুণ করে বেড়েছে।
তাঁর সংযোজন, যখন নির্বাচন কমিশন আদালতের নির্দেশে তার তালিকা ইডিকে তদন্ত করার কথা বলেছেন। তখন আংবাদিক বৈঠক করে বলতে হচ্ছে সবাই চোর নয়। তাহলেকে চোর সেটা বলে দিন। তাহলেই ফয়সালা হয়ে যায়। তা না করে আবার হাইকোর্টে আপিল করতে গেছেন। যাতে তদন্তের দায়িত্ব কোনমতেই ইডিকে না দেওয়া হয়। ইডি তদন্ত করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে বাম নেতার মন্তব্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, যিনি তৃণমূলের মহাসচিব, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, যিনি মন্ত্রীসভার সদস্য, কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির নামে আজকে জেলে যেতে হয়েছে। আজকে সব মন্ত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, সমস্ত নেতাদের মধ্যেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর পরে কার পালাপড়বে, কাকে এর পরে কোমরে দঁড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হবে। এই আতঙ্কে তৃণমূল নেতাদের ঘুম চলে গেছে।
শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের হুঁশিয়ারি, পশ্চিম মেদিনীপুরে সিপি(আই)এমের বড় কর্মসূচি

তার মঝেও গতকাল দেখলাম এলাকার সমাজ বিরোধীরা বাধা দিচ্ছে আজকের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ যাতে না কেউ করতে পারে। এই সমাবেশে আসার পথে অনেকেই রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের উদ্দেশ্যে বাম নেতার মন্তব্য, এভাবে ভয় দেখিয়ে আটকে রাখতে পারবেন না। আজকে মানুষের ভোটে মন্ত্রী হয়েছেন। মানুষ ছুঁড়ে ফেলেদিলে আপনাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিনের মিছিল থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনিও।



