নজরবন্দি ব্যুরো: বর্তমানে পরিস্থিতিতে বিদ্রোহের আগুন যেন দাউ দাউ করে জ্বলছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। দলের আদি নেতা থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের একাংশ কে ঘিরে কার্যত বেসামাল পরিস্থিতি রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের। তবে এই পরিস্থিতিতে ও দলীয় সমস্যা নিয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুনঃ সদ্যোজাতের হৃদযন্ত্রে সমস্যা, টালিগঞ্জের পরিচালকের ফেসবুক পোস্ট, সমাধান করলেন অভিষেক
সাংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আমাদের দলের মধ্যে মতের অমিল দেখা দিলে তা দল কে জানাতে হয়। আর তাছাড়া যেহেতু এটা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সমস্যা তাই আমার মনে হয় খুব শীঘ্রই এটার নিরাময় করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, যখন দলীয় কর্মকাণ্ড কে ঘিরে মতের অমিল দেখা দিয়েছে খোঁদ বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ঠিক এই পরিস্থিতিতেই গেরুয়া শিবিরের অস্বস্তি বাড়িয়ে তাদের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় টুইট করে জানান, ‘বঙ্গ বিজেপি মৃত্যুপথযাত্রী।’ যা নিয়ে রীতিমতো জলঘোলা হয়েছে দলেরই অন্দরে।
সেই পরিস্থিতিতে কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে দলের একাংশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হলেন এক ঝাঁক নেতা। যেখানে নাম করে দলের সাধারন সম্পাদকের অপসারণের দাবি তুলতে শোনা যায় ৫ বিধায়ক সহ শান্তনু ঠাকুরের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার জানান, আমাদের রেজিমেন্টেড পার্টি। কিন্তু আপনি চাইলে নিজের ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করতে পারবেন । সেজন্য সকলের উপযুক্ত জায়গা আছে ও উপযুক্ত পরিসর আছে।
পাশাপাশি আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আছে।সেখানে বললেও সমস্ত কিছুর সমাধান আছে। কিন্তু আমজনতা কিংবা সংবাদ মাধ্যম কে বললে, বিশেষ কোনো লাভ হয় কিনা সেবিষয়ে আমার জানা নেই। আসলে গোটা রাজ্য জুড়ে খুব তাড়াতাড়ি বিজেপি ছড়িয়ে পড়েছে। সেইসময় রাজ্যের প্রচুর মানুষ দলের সঙ্গে যুক্ত হলেও তারা হয়ত বিজেপির আদর্শ জানতে পারেননি তাই এই পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।
অস্বস্তি চরমে বিজেপির অন্দরে, সমাধানের সুর সুকান্তর গলায়
তবে এই প্রসঙ্গে কার্যত নির্বিকার থেকে তিনি জানান, বর্তমানে গোটা সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা চলছে। কিছু কিছু সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি ই সমাধান হবে। আবার কিছুর হয়ত পরেও হবে না। এক্ষেত্রে দলের পুরোনোদের আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে চলবে না বরং দলের নতুনদের জন্য সুযোগ করে দিতে হবে।



