পাক গুপ্তচর গ্রেফতারির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, "বাংলায় যে সরকার আছে তাঁরা পাকিস্তানকে পছন্দ করে। তাই পাকিস্তানের হয়ে যারা কাজ করে যেমন আইএসআই এজেন্টরা, তাঁরা বাংলায় এসে থাকছে এবং আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজকর্ম করছে।
রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বরাবরই নিজের জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে কাজ করে চলেন। আট থেকে আশি, নির্বাচনী এলাকার সকলের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করেছেন। তারই আরও একটি নিদর্শন দেখা গেল আজ। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে হাইস্কুলে বসল জেনারেটর।
আগামী লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুক্রবার থেকেই শুরু করে দিতে চলেছে বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আসছেন রাজ্যে। রবিবার ফিরে যাওয়ার দিনই আবার কলকাতায় ডেকেছেন বৈঠক। সেই বৈঠকে অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নাড্ডার গোটা সফরেই ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকবেন তিনি। সেই বৈঠকে ইতিমধ্যেই ডাক পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু, সদ্য সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদ হারানো দিলীপ ঘোষকে কি নাড্ডার বৈঠকে ডেকেছে গেরুয়া শিবির?
বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুর ঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দাবি, যদি নিরপেক্ষ ভাবে ভোট করাত কমিশন এবং প্রশাসন তৃণমূলের হয়ে কাজ না করত তাহলে ফলাফল আরও ভাল হত। বিষেষ করে জেলা পরিষদের ৫-৬ আসন নিশ্চিতভাবেই বিজেপির পক্ষে আসত।
এখনও পর্যন্ত ৫৪,৯৯১টি আসনে গণনার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৪০,৪৭৯টি আসনে। দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি, তারা জিতেছে ৭,০৮৩টি আসনে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে বামফ্রন্ট, তারা ৩,০৫৯টি আসনে জিতেছে। আর কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ২,২২৯টি আসনে। অন্যান্যরা ২,১৪১ টি আসনে জয় পেয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের অপব্যবহার করেছেন। বিএসএফ-কে মিথ্যা দোষারোপ করে মমতা দুষ্কৃতী, গুন্ডা, চোরাকারবারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। আমার বিশ্বাস, বিএসএফ তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীদের হাত থেকে আমাদের রাজ্যকে রক্ষা করবে
"তৃণমূলের যাঁরা গুন্ডামি করছে, তাঁদের বলে দিন তোদের নেতা অনুব্রত মণ্ডল তিহারে। কিছুদিন পরে ভাইপো যাবে তিহারে। কারণ এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি।" এই বক্তব্য রাখার দিনেই গ্রেফতার হলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু।