নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। দীর্ঘ প্রায় ১১ ঘণ্টা জেরার পর মঙ্গলবার রাতে ইডি গ্রেফতার করেছে তাঁকে। ভুয়ো সংস্থা খুলে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই একই দিনে নিয়োগ তথা একাধিক দুর্নীতিতে বিদ্ধ তৃণমূলকে নজিরবিহীন আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
আরও পড়ুনঃ কালীঘাটের কাকু গ্রেফতার, ১১ ঘণ্টা জেরার পর আটক করল ED
একের পর এক তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। বাদ যাননি তৃণমূলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, “আগে তৃণমূল বলতো খেলা হবে। এখন আর বলে না। এখন সিবিআই বলছে খেলা হবে। আমরা বলি খেলা তো সবে শুরু। পঞ্চায়েতে খেলা শুরু হবে। এরপর লোকসভা নির্বাচনে খেলা হবে। তখন থেকেই বিধানসভা নির্বাচনে খেলার প্রস্তুতি শুরু হবে।”
আগে তৃণমূল বলত খেলা হবে, এখন সিবিআই দেখাচ্ছে খেলা কাকে বলে, খোঁচা সুকান্তর

এদিন যখন সুকান্ত মজুমদার বক্তব্য রাখছেন উত্তরবঙ্গে তখন দক্ষিণবঙ্গে আর এক তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ইডির মুখোমুখি বসে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। সভা শেষ করে সুকান্ত মজুমদার ঘরে ফিরলেও ঘরে ফিরতে পারলেননা আত্মবিশ্বাসী কাকু। সকাল ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার আগে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু বলেছিলেন, ‘আত্মবিশ্বাস নিয়ে ঢুকছি, বেরিয়ে যা বলার বলব’। সেই কালীঘাটের কাকুর আর বেরোনো হল না। ইডি (ED) গ্রেফতার করে নিল তাঁকে।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এদিন সুকান্ত বলেছেন, “তৃণমূলের যাঁরা গুন্ডামি করছে, তাঁদের বলে দিন তোদের নেতা অনুব্রত মণ্ডল তিহারে। কিছুদিন পরে ভাইপো যাবে তিহারে। কারণ এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি।” এই বক্তব্য রাখার দিনেই গ্রেফতার হলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। এদিন বায়রনের দলবদল নিয়েও মুখ খোলেন সুকান্ত। বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম সিপিএম ও কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ নেই। কারণ ভোটে জিতলে সে তৃনমূলে যাবে। সেটাই হলো।”



