সম্প্রতি যে ছবিগুলি পোস্টগুলি করেছেন তার একটিতে ক্যাপশনে বৈশাখী লিখেছেন, ‘প্রতিটি পাহাড় চড়ছি। প্রতিটি রামধনুকে অনুসরণ করছি।’ সেখানে যে ছবিগুলি পোস্ট করেছেন সেগুলিও রামধনুর মতোই রঙিন। কখনও দেখা গিয়েছে, বৈশাখী-শোভনের সঙ্গে বৈশাখীর মেয়ে মহুলের ছবি। দেখুন কলকাতার রোমিও জুলিয়েটের পাহাড় চড়ার ছবি।
বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় ছাড়াও আরও 'গার্লফ্রেন্ড' রয়েছে শোভন বাবুর। তবে তাঁরা বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়ের মত নন। তাঁরা সত্যি কথা বলতেন। এমনকি তাঁদের সাথে নাকি পারিবারিক রিলেশন গড়ে উঠেছিল রত্না দেবীর!
২০১৭ সালের পর থেকে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখ, দুঃখে পাশে ছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় শোভনবাবু ঘুরেও দেখেননি তিনি যে ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সেখানের মানুষজন কেমন রয়েছে।
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে রত্নার ৷ সে জন্যই তিনি তাঁর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন ৷ বিবাহবিচ্ছেদের পরেই বৈশাখীর সঙ্গে বন্ধুত্ব দৃঢ় সম্পর্কের রূপ নেবে ইঙ্গিত দেন শোভন।
রত্নাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বৈশাখী। যদিও এই নোটিস নিয়ে খুব হালকা চালেই জবাব দিয়েছেন রত্না। শনিবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে রত্না চট্টোপাধ্যায় হাসতে হাসতে বলেন, ‘লোটা কম্বল গোটানো আছে। ভোট শেষ হলেই চলে যাব।’
শোভন দল ছেড়েছেন, সংসার ছেড়েছেন কিন্তু এতদিন ছাড়েননি ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড। এ বার সেটাও ছিনিয়ে নিতে বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্নাকেই প্রার্থী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার প্রাক্তন মেয়র তথা স্বামীর আসনে দাঁড়িয়ে কত বড় জয় দিদিকে উপহার দিতে পারেন কানন জায়া