নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজনীতির চেয়ে সংবাদের শিরোনামে এসেছিল তাঁদের ত্রিকোণ সম্পর্কের কাহিনী। শোভন, বৈশাখী ও রত্নার এমন আলোচিত রসায়ন ভোটের আগেও সাড়া ফেলেছিল। তবে ২১ বিধানসভায় শোভন চট্টোপাধ্যায় বা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেহালা পূর্বে বিজেপি প্রার্থী না করায় অকালেই স্তিমিত হয় যাবতীয় আলোচনা। শোভন কাননে রত্নার আধিপত্য দেখা যায় ভোটের ফলাফলে। শোভনের কেন্দ্রে রত্না জয়ী হন ৩৭,৪২৮ ভোটে।
আরও পড়ুনঃ ১০টি ছুটি কমছে নতুন বছরে, ২০২২ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করল নবান্ন


২০২১ নির্বাচনে শোভনের কেন্দ্র বেহালা পূর্ব থেকে রত্না চট্টোপাধ্যায় কে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। এবারের শোভনের কেন্দ্রে ‘দিদি’ আস্থা রাখলেন সেই রত্নাতেই। ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড এখন থেকে লেখা হল রত্না চট্টোপাধ্যায়ের নামে। ২০১৮ সালে আচমকাই কলকাতার মেয়র পদ ছেড়ে দেন শোভন। তবে ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের পুর প্রতিনিধির পদ ছাড়েননি। যেমন ছাড়েননি বিধায়কের পদ।
গত বিধানসভা নির্বাচনে শোভনের জেতা আসনে রত্নাকে প্রার্থী করার পর থেকে ভালভাবেই দায়িত্ব সামলে ছিলেন শোভন জায়া। বিজেপির সেলিব্রিটি প্রার্থী পায়েল সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিনিয়ে এনেছিলেন বড় জয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পায়েল সরকার কে ৩৭,৪২৮ ভোটে পরাজিত করেন রত্না। তারপর ফেসবুকে শোভন কে কটাক্ষ করে বার্তা দেন, “আজ মনের খোলা জানালায় খুশির বৈশাখী হাওয়া ফেলে আসা অতীতের কিছু ধূসর ক্ষতের উপর প্রশান্তির প্রলেপ দিয়ে গেল।”
শোভন কাননে রত্নাই ফুল, বিধানসভার পর পুরসভাতেও চমক মমতার

শোভন দল ছেড়েছেন, সংসার ছেড়েছেন কিন্তু এতদিন ছাড়েননি ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড। এ বার সেটাও ছিনিয়ে নিতে বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্নাকেই প্রার্থী করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার প্রাক্তন মেয়র তথা স্বামীর আসনে দাঁড়িয়ে কত বড় জয় দিদিকে উপহার দিতে পারেন কানন জায়া!









