Sovan Boisakhi: বৈশাখীর শোভনের পর্দাফাঁস, প্রেম বিতরণে ইতিহাস গড়ছেন প্রাক্তন মেয়র!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় পরকীয়া করছেন। অনেকে বলছেন বেশ করছেন আবার অনেকের মত সমাজ কে দূষিত করছেন এঁরা। গত কয়েক বছরের মধ্যে শোভন বৈশাখীর মত কৌতুকের বস্ত বাঙালি আর পায়নি। এদের কীর্তিকলাপ দেখে, গালাগাল আর নিন্দামন্দ করার মাঝে কখন যে পাঠকের ঠোঁটের কোনে হাসি চলে আসে অজান্তেই তা তিনি নিজেই হয়ত জানেন না। এহেন শোভন কিনা প্রেম করছেন অন্য মহিলার সাথে!

আরও পড়ুনঃ ৩ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের টিকা, ওমিক্রন (Omicron) আবহে বড় ঘোষণা সেরামের।

বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে আনলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। কার্যত বৈশাখীর শোভনের পর্দাফাঁস করলেন তিনি। কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের স্ত্রীর কাছ থেকে শোনা গেল, বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় ছাড়াও আরও ‘গার্লফ্রেন্ড’ রয়েছে শোভন বাবুর। তবে তাঁরা বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়ের মত নন। তাঁরা সত্যি কথা বলতেন। এমনকি তাঁদের সাথে নাকি পারিবারিক রিলেশন গড়ে উঠেছিল রত্না দেবীর!

বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়ের পরিবারকে নিয়ে রবিবার তীব্র আক্রমন শানান রত্না। বলেন, ‘বৈশাখীর পরিবার সৃষ্টিছাড়া পরিবার। এই পরিবারে স্বামীর কোন ঠিক নেই!’ এদিকে কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে শোভনের ফেলে যাওয়া ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন রত্না। তা নিয়ে কম কটাক্ষ করেননি শোভন বান্ধবী বৈশাখী। শুধু কটাক্ষতে থেমে না থেকে রত্নাকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ পর্যন্ত পাঠিয়েছেন বৈশাখী।

এদিকে দুর্গাপুজোর দশমীতে বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় কে সিঁদুর পরিয়ে চমক দিয়েছিলেন শোভন। রত্না প্রার্থী হওয়ার পর কদিন আগেই ফেসবুক লাইভে বোমা ফাটিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বলেছিলেন, “আমি শোভন চট্টোপাধ্যায় ৷ পরিষ্কার করে বলছি, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের দুই নয়, বর্তমানে তিন সন্তান৷ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়, সুহানি চট্টোপাধ্যায় এবং রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীণাকে আমি ও বৈশাখী দুজনে মিলেই বড় করে তুলছি ৷ আমি চাই আমার তিন সন্তানই জীবনে প্রতিষ্ঠা পাক।”

বৈশাখীর শোভনের পর্দাফাঁস, প্রেম বিতরণে ইতিহাস গড়ছেন প্রাক্তন মেয়র

বৈশাখীর শোভনের পর্দাফাঁস, প্রেম বিতরণে ইতিহাস গড়ছেন প্রাক্তন মেয়র
বৈশাখীর শোভনের পর্দাফাঁস, প্রেম বিতরণে ইতিহাস গড়ছেন প্রাক্তন মেয়র

অবশ্য এই প্রসঙ্গে শোভন কে পাল্টা দিতে আসরে নামেন তাঁর পুত্র সপ্তর্ষী। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়াই উচিত নয়। তিনি বলছেন তাঁর আরও একটি সন্তান আছে। এখন যদি পাগল হয়ে এবার বলে বসেন তিনি তাঁর নিজের মেয়ে সেক্ষেত্রে DNA টেস্ট করানো উচিত। আমি বিশ্বাস করি না একটা মানুষ ৪ বছরে এতটা পাগল হয়ে গেল যে মাথায় সিঁদুর লাগাচ্ছে বেআইনিভাবে।’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন