কল্যাণ ও জয়প্রকাশের এই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্যের পর তৃণোমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিতর্ক ধামাচাপা দিতে বলেন, "শোভন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই কাছের মানুষ। এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবার তিনি নেবেন। এর মধ্যে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি না। যা হবার সময়ের সাথে সাথেই দেখা যাবে।"
পাল্টা বৈশাখী বলেছেন, "অপ্রাসঙ্গিক কথার কী উত্তর দেব! ওনার কথার উত্তর দিতে আমাকে যেখানে নামতে হবে, আমি নামতে রাজি নই। উনি আমার সম্পর্কে যাই বলুন, আমি এটুকু বুঝতে পারছি শোভন রাজনীতিতে এলে উনি ওনার প্রাসঙ্গিকতা হারাতে পারেন ভেবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে এসব বলছেন।"
রত্না বলেছেন, "তৃণমূল এখন অনেক বড় পরিবার। উনি (পড়ুন শোভন) যদি আসতে চান আসতে পারেন। উনি একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সৎ মা বানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোনার গোপাল বানিয়েছেন। এখন যদি মনে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৎ মা থেকে মা হয়ে গিয়েছেন, অভিষেক ম্যাচিওর রাজনীতিবিদ হয়ে গিয়েছেন, তাহলে ফিরে আসবেন!"
একটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়ার সাক্ষাৎকারে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি এখনও পর্যন্ত তিনি তৃণমূল নেত্রীকে 'দিদি' হিসেবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন।
শ্রাবণ মাস মহাদেবের মাস। এই মাসে নাকি শিব ঠাকুরের কাছে যা চাওয়া হয়, তাই পাওয়া যায়। তাই ‘সঙ্গী’ শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে একসঙ্গে রুদ্রাভিষেক করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণত গ্রহের দোষ কাটাতে এই পুজো করা হয়। আর এই রুদ্রাভিষেকের ছবি কিন্তু নেটিজেনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ভোলেননি বৈশাখী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতে সেতু বিপর্যয়ের ঘটনা নিয়ে এখন তোলপাড় গোটা দেশ। এই ঘটনায় আলাদাভাবেই আতঙ্কিত বঙ্গবাসী, কারণ সকলের মনে পড়ে গিয়েছিল পোস্তা, মাঝেরহাট সেতু বিপর্যয়ের কথা।