এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির সবচেয়ে বড় জল্পনা, ফের একবার তৃণমূলে ফিরতে পারেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। প্রথম সারির একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেরকমই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে আবার তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দেখা করতে যান শোভনের সঙ্গে। এরপর থেকে জল্পনা আরও বেড়ে যায়। একটি সূত্র বলছে, আগামী ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ মঞ্চ থেকে ফের ঘরওয়াপসি হতে পারে শোভনের।
শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে ফেরার এই জল্পনা প্রসঙ্গে তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় কী বলছেন? কারণ, এই মুহূর্তে দু’জন একসঙ্গে থাকেন না। বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আলাদা গোলপার্কের ফ্ল্যাটে ঘর বেঁধেছেন শোভন। যদিও বিচ্ছেদ হয়নি রত্নার সঙ্গে। রত্না আবার শোভনের কেন্দ্র বেহালা পূর্ব থেকে নির্বাচিত বিধায়ক। চুটিয়ে রাজনীতি করছেন। শোভন-বৈশাখী যদি তৃণমূলে ফেরেন তাহলে একসঙ্গে রাজনীতি করতে পারবেন তো তিনজন? নাকি তৃণমূল ছেড়ে দেবেন রত্না?

রত্না বলেছেন, “তৃণমূল এখন অনেক বড় পরিবার। উনি (পড়ুন শোভন) যদি আসতে চান আসতে পারেন। উনি একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সৎ মা বানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোনার গোপাল বানিয়েছেন। এখন যদি মনে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৎ মা থেকে মা হয়ে গিয়েছেন, অভিষেক ম্যাচিওর রাজনীতিবিদ হয়ে গিয়েছেন, তাহলে ফিরে আসবেন!”
তৃণমূল ছেড়ে দেবেন! শোভনের ঘরওয়াপসি শুনে কী বললেন রত্না?

আর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? এ প্রসঙ্গে একেবারে সপাট জবাব রত্নার। বললেন, “না না সেটা হবে না। একজন আসবে বলে আর এক জন পিছনে এসে বসবেন তা হবে না। বৈশাখী রাজনীতির র বোঝে না।” যদিও এখন শোভন তৃণমূলে ফিরবেন কিনা তা সবটাই নির্ভর করছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর।








