তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়! আসন্ন একুশে জুলাই, শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে জোড়াফুলে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন তিনি এমনটাই সূত্রের খবর। শোভনের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে শোভন-বৈশাখীর তৃণমূল যোগদানকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা চলছে। তবে এখনও তৃণমূলের তরফে সরাসরি কিছু ঘোষণা করা হয়নি।
একটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়ার সাক্ষাৎকারে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি এখনও পর্যন্ত তিনি তৃণমূল নেত্রীকে ‘দিদি’ হিসেবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন। সম্প্রতি আবার শোভনের সঙ্গে তাঁর গোলপার্কের ফ্ল্যাটে দেখা করতে যান তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। আর এর পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়। তবে কুণাল জানিয়েছেন, শোভনের তৃণমূলে যোগদানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।



সঙ্গে কুণাল এও দাবি করেছেন, শোভন চট্টোপাধ্যায় এখনও মনেপ্রাণে নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সৈনিক হিসেবেই মনে করেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলের পুরনো নেতাদের ওপরেই ভরসা রাখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শোভন চট্টোপাধ্যায় কবে তৃণমূলে যোগদান করেন সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
মমতার সঙ্গে যোগাযোগ, একুশে জুলাই তৃণমূলে ফিরছেন শোভন-বৈশাখী!



২০১৯ সালের অগস্ট মাসে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে পদ্ম-পতাকা হাতে তুলে নেন বেহালা পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়। এরপরেই আবার তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভাইফোঁটার দিন ছোটেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। দিদির হাতে ফোঁটাও নেন। তারপর থেকেই শোভনের রাজনৈতিক জীবনে নিষ্ক্রিয়তা শুরু। একুশের নির্বাচনের আগে বিজেপি ছেড়েও দেন শোভন। যদিও বেহালা পূর্ব কেন্দ্রে শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে তৃণমূল এবং তিনি জিতেও যান।







