২০২৩ সালে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানা এলাকায় সৌমিত্র খাঁ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মামলাতেই তদন্ত করে এমপি, এমএলএ বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করে রাজ্য পুলিশ। সৌমিত্রকে তলবও করে নিম্ন আদালত। কিন্তু, একাধিক বার তলব করা সত্ত্বেও সৌমিত্র একবারও হাজিরা দেননি। এড়িয়ে গিয়েছেন প্রত্যেকবার। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নিম্ন আদালত।
অমিত শাহের মত পারদর্শী নেতা, হেমন্ত বিশ্ব শর্মার মত বড় ভাই আমি এই দলে পেয়েছি। সেখানে দল বদলের কোন প্রশ্নই নেই। আমার রাজ্য নেতৃত্বরা একসাথে আছেন। তাই আমার সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ প্রোপাগান্ডা ছড়াবেন না। সত্যি ও সঠিক খবর পরিবেশন করুন "।
লোকসভা ভোট এবং বিধানসভা উপনির্বাচনে ভরাডুবির পর আজ, বুধবার বিজেপির রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠক চলছে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে এসেছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বর্ধিত আকারে বিজেপির রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠক হচ্ছে। জেলা সভাপতি, জেলা ইন-চার্জ-সহ দলের সর্বস্তরের নেতাদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে। থাকবেন রাজ্য স্তরের সমস্ত মোর্চা এবং শাখা সংগঠনের সদস্যেরা।
রতনপুর বাজারে ওন্দার প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা এলাকার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা ভবতারণ চক্রবর্তীকে দেখতে পান সৌমিত্র। তৎক্ষণাৎ গাড়ি থেকে নেমে ভবতারণের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন তিনি। দু'জনেই সৌজন্যতার দোহাই দেখালেও দলবদলের জল্পনাও একেবারে উড়িয়ে দেননি বলে সূত্রের খবর।
৪ঠা জুন নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সৌমিত্র খাঁ। তাঁর মতে, পুরোনো কর্মীদের দলে সেই আগের জায়গা নেই, বরং অন্যান্য দল থেকে যারা এসেছেন তাঁদের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে।
এবার সৌমিত্র পেলেন ৬ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩০ ভোট। সেখানে সুজাতা পেয়েছেন ৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬৩ ভোট। সৌমিত্র জিতলেন ৫ হাজার ৫৬৭ ভোটে। সুজাতার লড়াইয়ের প্রশংসাও করলেন তিনি। বললেন, "সুজাতা খুব ভালো লড়াই করেছে।"