এই বিষয়ে সৌমিত্র নিজেও জানান, "আমি সনাতনী। আমি জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে চলি। আর গীতা হল সত্যের প্রতীক। যে কোনও পরিস্থিতিতে এমনকি, যুদ্ধেও সত্যেরই জয় হয়। সেই কারণে হাতে গীতা রেখেছিলাম।’’
বারের লোকসভা নির্বাচনে সৌমিত্রের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী শাসকদলে তার প্রাক্তন স্ত্রী সুজাতা খাঁ। ভোটের প্রচারে ব্যস্ত তিনি। এই ব্যস্ততার মাঝে দোলের আনন্দে মেতে উঠতে পারায় উচ্ছ্বসিত সৌমিত্র।
যদিও আদালতকে অপমানের অভিযোগ মানতে নারাজ কুণাল ঘোষ। তাঁর যুক্তি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই আদালতকে সম্মান করেই চলেন। তবে আদালতের সুরক্ষা কবচে অনেক দোষী রেহাই পেয়ে যাচ্ছেন। যা ঠিক নয়।
একুশের বিধানসভায় হুগলির আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রে ঘাসফুল প্রতীকে দাঁড়িয়ে হেরে গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের প্রাক্তন স্ত্রী সুজাতা মণ্ডল। এবার তেইশের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কিন্তু বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকে জেলা পরিষদের ৪৪ নম্বর আসনে বিপুল ভোটে জিতলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই জয়ের পর খুবই খুশি সুজাতা মণ্ডল।
রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। একই পথের শরিক হলেও আজ রাজনীতি থেকে ব্যক্তিগত জীবনেও ভিন্ন পথে সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan) ও সুজাতা মণ্ডল (Sujata Mondal Khan)।
সৌমিত্র খাঁ হুঁশিয়ারি দিয়েছে শাসক দলের নেতাদের। যদিও সৌমিত্র খাঁয়ের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “পাগল-ছাগল অনেক কিছু বলে। গুরুত্ব দেওয়ার কারণ নেই।”