নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের বিতর্কিত মন্তব্য সৌমিত্র খাঁর। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ। দুর্নীতি ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করেন পুলিশ-প্রশাসনকে। সভাস্থল থেকে বলেন, “কিছু কিছু থানার ওসি বালি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছি। জেলা প্রশাসনের যারা বালি পাচারে বা কোনও কেলেঙ্কারিতে যুক্ত, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরও পড়ুনঃ ৪ বছরে ২৪০ কাঠা জমি কিনেছেন অনুব্রত, সরকারি নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য।


তবে এখানেই শেষ নয়। মানিক ভট্টাচার্য্যের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করেছে সিবিআই। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, “সবাইকে মানিক ভট্টাচার্য করে দেব। মানিকবাবুকে যেভাবে লুকিয়ে বেড়াতে হচ্ছে, দুর্নীতিতে যুক্ত সবাইকে সেভাবে পালাতে হবে।” উল্লেখ্য, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্ক্যানারে পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।

তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের তরফ থেকে তলব করা হয়েছে মানিক ভট্টাচার্যকে। যদিও তিনি মাত্র একবার হাজিরা দেন। তাঁর এবং পরিবারের সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইডির সেই তলবে গুরুত্ব দেননি মানিক। তাঁর সঙ্গে ফোনেও কোনওভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই ইডি সূত্রে খবর।
‘সবাইকে মানিক ভট্টাচার্য করে দেব…’, হুঙ্কার দিলেন সৌমিত্র খাঁ!



এরপরেই মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করে বিমানবন্দরগুলিকে সতর্ক করা হয়। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতেই লুকআউট নোটিস জারি করা হয়। অবশ্য এরপরেই খোঁজ মেলে মানিকের। প্রথমে সাংবাদিকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ও পরে শনিবার দেখাও দেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।

সেই প্রসঙ্গেই সৌমিত্র খাঁ হুঁশিয়ারি দিয়েছে শাসক দলের নেতাদের। যদিও সৌমিত্র খাঁয়ের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “পাগল-ছাগল অনেক কিছু বলে। গুরুত্ব দেওয়ার কারণ নেই।”







