নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিচারব্যবস্থাকে অপমান করার অভিযোগ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি সৌমিত্র খাঁর। ভারতের গণতন্ত্র দাঁড়িয়ে রয়েছে বিচারব্যবস্থার উপর। সেই বিচারব্যবস্থাকে আঘাত করতে চাইছেন অভিষেক। আগামী সোমবার এ নিয়ে সৌমিত্র এফআইআর দায়েরও করবেন বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ পাটনার পর এবার বেঙ্গালুরু, দ্বিতীয় বিরোধী বৈঠকে যোগ দেবেন মমতা-অভিষেক
পালটা দিয়ে অভিষেকের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষে আহত অনেকে। শুক্রবার আহত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে বিজেপির প্রতি খড়গহস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থার একাংশ নিয়ে যথেষ্ট উষ্মাপ্রকাশ করলেন তিনি। অভিযোগ, হিংসায় অভিযুক্তদের ‘হাই কোর্টের সুরক্ষাকবচ’ রয়েছে বলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

চ্যালেঞ্জের সুরে তাঁর বক্তব্য, ”বিজেপিকে হৃষ্টপুষ্ট করতে বিচারপতিদের একাংশ কাজ করছেন। দরকার হলে আমার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করুন, এসব বলছি বলে।” অভিষেকের এও মন্তব্বের পরেই লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে সংবিধানকে জোরজবরদস্তি দমন করছে তৃণমূল সরকার। সংবিধানের অস্তিত্ব আক্রান্ত হচ্ছে। শুক্রবার ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক হাই কোর্টের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন, যা অবমাননাকর। এ ভাবে অভিষেক কলকাতা হাই কোর্ট এবং সংবিধানকে ‘অবমাননা’ করেছেন।’’

পাশাপাশি, অভিষেককে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করে তাঁকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন সৌমিত্র। তিনি বলেন, ‘‘এক জন সাংসদ হাসপাতালে দাঁড়িয়ে বলবেন, আমি হলে গুলি চালিয়ে দিতাম! কখনও কোর্টের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে যা খুশি বলবেন! এতে ভারতের গণতন্ত্র ভেঙে পড়বে।’’
অভিষেকের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে সরব সৌমিত্র, কিন্তু কেন?
যদিও আদালতকে অপমানের অভিযোগ মানতে নারাজ কুণাল ঘোষ। তাঁর যুক্তি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই আদালতকে সম্মান করেই চলেন। তবে আদালতের সুরক্ষা কবচে অনেক দোষী রেহাই পেয়ে যাচ্ছেন। যা ঠিক নয়।



