কদিন ধরেই মন্ত্রীত্ব পাওয়ার জন্যে দাবি জানাচ্ছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। গত কয়েকদিন ধরেই অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে তাঁর গলায়। মন্ত্রীত্বর দাবি প্রসঙ্গে সৌমিত্র দুদিন আগে বলেছিলেন, ‘সবাই তো চায়। আমিও তো চাই। আমার তো তৃতীয়বার হল। আমি তো তিনবার সাংসদ হলাম। একবার বিধায়ক হলাম। সেটা দল ঠিক করবে। আমি আবার কার জন্য় বলব?’
আরও পড়ুনঃ শিক্ষার সঙ্গে উত্তর পূর্ব উন্নয়ন দফতর, জোড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার
তাঁর কথায়, ‘আমি নিজেই তো এখন… যতগুলো সাংসদ এসেছে, ১২ জন সাংসদ এসেছে, তার মধ্য়ে তো আমি সিনিয়র মোস্ট MP এখন। আমি সেদিক থেকে সিনিয়র মোস্ট MP… সবাই দু’বার হয়েছে। আমি তো তিনবার হয়েছি। বিধায়কও ছিলাম। আপনি বলতে পারেন, দলের যুবমোর্চা সামলেছি। আমিও দাবি রাখছি।’ কিন্তু মন্ত্রী করা হয়নি তাঁকে। বাংলা থেকে দুজনকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রীত্ব দেওয়া হয়নি কাউকেই।

ধর্মেন্দ্র প্রধানকে এবারও দেওয়া হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব। ধর্মেন্দ্রর ডেপুটি হিসেবে নতুন মন্ত্রিসভায় কাজ করবেন সুকান্ত মজুমদার। তার সঙ্গে তিনি পেয়েছেন উত্তর পূর্ব উন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পদও। অন্যদিকে মতুয়া ভোট হাতে রাখতে এবারও প্রায় গুরুত্বহীন দফতর জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে শান্তনু ঠাকুরকে। কিন্তু শিকে ছেঁড়েনি সৌমিত্র খাঁ-র ভাগ্যে।
এবারেও বাংলাকে বঞ্চিত করল বিজেপি, আমি মুকুল রায়ের অনুগামী… বিস্ফোরক সৌমিত্র

এদিন মন্ত্রীত্ব না পেয়ে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটালেন সৌমিত্র। এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, ‘আমাকে হয়তো ভয় পায়, পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতির দখল নিয়ে নেব। আমি মুকুল রায়ের অনুগামী ছিলাম, গোটা রাজ্যে প্রভাব ছিল। আমার নবান্ন অভিযান দশটা আন্দোলনের মধ্যে অন্যতম। বাংলা পূর্ণমন্ত্রী না পাওয়ায় অনেকে হতাশ। ২ কোটি ৩৮ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছেন, তাঁদের কাছে খারাপ বার্তা যাচ্ছে’, দাবি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র।



