বিষ্ণুপুরে এবার ছিল দুই প্রাক্তনের লড়াই। একদিকে বিজেপির সৌমিত্র খাঁ, অন্যদিকে, তৃণমূলের সুজাতা মণ্ডল।মাত্র ৫ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতে ফের আর একবার সাংসদ হলেন সৌমিত্রই। কিন্তু, বাংলায় বিজেপির হতাশাজনক ফলের পর কার্যত দলের নেতৃত্বকেই কাঠগড়ায় তুললেন তিনি।
আরও পড়ুন: জাতীয় রাজনীতিতে আচমকাই প্রাসঙ্গিক দুই ‘এন’, সরকার গড়তে তৎপর NDA-INDIA দু’পক্ষই


এবার সৌমিত্র পেলেন ৬ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩০ ভোট। সেখানে সুজাতা পেয়েছেন ৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬৩ ভোট। সৌমিত্র জিতলেন ৫ হাজার ৫৬৭ ভোটে। সুজাতার লড়াইয়ের প্রশংসাও করলেন তিনি। বললেন, “সুজাতা খুব ভালো লড়াই করেছে।” কিন্তু, যে বিষয়টা মূলত সৌমিত্র বললেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা। সেটা হল, তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা।

সৌমিত্র বললেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খুব ভালো স্ট্র্যাটেজি করেছিল। ভোটের মাত্র তিন-চার দিন আগে আমরা জানতে পারি এই কেন্দ্রের অনেক বিজেপি নেতার সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছিল তৃণমূল। এমনকি গণনার দিনেও ওরা আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লড়াই করে জয় এসেছে।”



এবারের লোকসভায় ৩০ আসনের লক্ষ্য নিয়ে ১২-তেই থামতে হয়েছে বিজেপিকে। ১৮ থেকে ১২ আসনে নেমে গেল পদ্মশিবির। হারলেন একাধিক হেভিওয়েট। যেমন, নিশীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ সরকার। বিজেপির এই বেহাল কেন?
অভিষেকের প্রশংসা, বিজেপি নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন! বিষ্ণুপুর জিতে বেলাগাম সৌমিত্র

সৌমিত্র বলেন, “আমাদের নেতৃত্বকে অনেক সচেতন হওয়া উচিত ছিল। আমার মনে হয় বিজেপি এবার একটা আসনও পেত না যদি না আরএসএস পাশে থাকত। সর্বসাকুল্যে যে ১২টা আসন এসেছে তা দিল্লির নেতারা এ রাজ্যে এসেছিলেন বলেই সম্ভব হয়েছে।”







