৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২৯২ আসনেই থামল এনডিএ। বিজেপি এককভাবে পেল ২৪০টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে এখন দিল্লিতে সরকার গড়তে দুই শরিকের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদিকে। একজন, অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং অন্যজন বিহারের জনতা দলের সুপ্রিমো তথা সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।
আরও পড়ুন: বাংলায় সবুজ ঝড়, তৃণমূল সাফল্যের কান্ডারী সেই অভিষেকই


টিডিপি অন্ধ্রপ্রদেশে পেয়েছে ১৬টি ও জেডিইউ বিহারে জিতেছে ১২টি আসন। এই ২৮টি আসন এই মুহূর্তে সরকার গড়ার ক্ষেত্রে প্রধান ফ্যাক্টর হবে বিজেপির জন্য। ইতিমধ্যেই এই দুই শরিক দলের সুপ্রিমোর সঙ্গে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভালো ফলের কারণে। তবে, দিল্লিতে সরকার গড়ার চাবিকাঠি এখন এই দুই নেতার হাতেই সেরকমই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

লোকসভা নির্বাচনে দুর্দান্ত কামব্যাক করল কংগ্রেস। সামগ্রিকভাবে ইন্ডিয়া জোটের ফলাফলও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইন্ডিয়া জোটের মোট প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা ২৩২। তাঁরাও চাইছে নীতীশ ও চন্দ্রবাবুর সঙ্গে কথা বলতে। যদি কোনও ক্রমে তাঁরা এনডিএ ত্যাগ করে ইন্ডিয়ায় যোগ দেন তাহলে সরকার গড়াই কার্যত মুশকিল হয়ে যাবে মোদির।



জাতীয় রাজনীতিতে আচমকাই প্রাসঙ্গিক দুই ‘এন’, সরকার গড়তে তৎপর NDA-INDIA দু’পক্ষই
সূত্রের খবর, নীতীশের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব নিয়েছেন। উত্তরপ্রদেশেও এবার ধরাশায়ী বিজেপি। আসনের বিচারে প্রথমে রয়েছে সমাজবাদী পার্টি। তাঁরা পেয়েছে ৩৭টি আসন, বিজেপি এককভাবে পেয়েছে ৩৩টি আসন। নীতীশ কুমার আগেও একবার এনডিএ ছেড়ে বেরিয়েছেন। ফলে, তাঁকে নিয়ে একটা দুশ্চিন্তা রয়েছেই মোদির।

আজ দিল্লিতে যেমন একদিকে বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। সেরকমই বৈঠক করবে এনডিএ-ও। বুধবার সকালে আবার একই বিমানে রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা গেল নীতীশ কুমার ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে। ফলে, নানান অঙ্ক কষা চলছে দুই শিবিরেই। এবার কি সত্যিই সরকার বদল হবে? নাকি নায়ডু ও নীতীশ মোদীর পাশেই থেকে যাবেন? প্রশ্ন উঠছে।







