কৃষকদের ধর্ণা মঞ্চে যেতে বাঁধা, সংসদে এর জবাব দেব হুশিয়ারি সৌগত রায়ের। আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বাধার মুখে সৌগত রায়, ফেরত পাঠানো হল ১৫ সাংসদকে। দিল্লি সীমান্তে গাজিপুর কৃষকদের ধর্ণা মঞ্চে কৃষকদের সঙ্গে দেখা করতে যান সৌগত রায় সহ আরও ১৫ জন সাংসদ। কিন্তু সেই দেখা অধরাই রয়ে গেল। মূল মঞ্চ থেকে দেড় কিলোমিটার দূরেই আটকে দেওয়া হয় তাঁদের ।
নন্দীগ্রাম সফরে ২১ এর নির্বাচনে থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পরই ওই কেন্দ্রের সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক তথা অধুনা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, “বাপের বেটা হলে নন্দীগ্রামে মমতার বিরুদ্ধে লড়ে দেখাক শুভেন্দু।”
অভিমানী প্রসূনকে ফোন সৌগত রায়ের, ভোটের আগে একের পর এক ক্ষোভপ্রকাশ। আর তাঁদের মানভঞ্জনে ব্যস্ত ঘাসফুল শিবির। নির্বাচনের দোরগোড়ায় এসে ভোটের অনান্য কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গে সাংসদ ও দলীয় কর্মীদের সমস্যার সমাধান সূত্র খুজে বের করা যেন রাজ্যের শাসক দলের রোজকার নামচা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই গতকাল শতাব্দীর পর এবার ‘বেসুরো’ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মান ভাঙাতে আসরে নামলেন সৌগত রায়।
শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আজ,বুধবার তৃণমূলের সভা। এদিনের সভায় প্রথমে বক্তৃতা দেন সৌগত রায়। সঙ্গে রয়েছেন, ফিরহাদ হাকিম, অখিল গিরি সমেত আরও অনেকে। কাঁথিতে আজকের সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
BJP-তে যোগ দিয়েই কেতুগ্রামে শুভেন্দুর সভা, আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শনিবার। আর তার ঠিক পরেই প্রথম বিজেপি নেতা হিসাবে মঙ্গলবার প্রথম জনসভা করতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের পূর্বস্থলীতে দলীয় জনসভায় হাজির হয়েছেন শুভেন্দু।