আজ সুপ্রিম কোর্টের ছিল চতুর্থ শুনানি। সেখানেও এই কর্মবিরতির বিষয়টি উঠে আসে। তবে সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে আর কোনও মন্তব্য করেনি। পুরোটাই জুনিয়র চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের ওপর ছাড়া হয়েছে। রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, সমস্ত দাবি পূরণের কথা। জুনিয়র চিকিৎসক ফ্রন্টের আইনজীবী ইন্দিরা বলেছেন, হাসপাতালে এখনও ভয়ের পরিবেশ আছে, সমস্ত অপরাধীরা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি, তাই জুনিয়র চিকিৎসকরা সময় নিচ্ছেন।
পাশাপাশি মিডিয়াকেও দূষেছেন সৌগত রায়। তাঁর প্রশ্ন, মিডিয়ার কাছে তো সব খবর থাকে। তাহলে কেন জয়ন্ত গ্রেপ্তারের আগে কেন সংবাদমাধ্যম কিছু জানতে পারেনি। তবে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, যা ভুল হয়েছে। তা সংশোধন করা হবে।
দু'জনেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দমদমের প্রার্থী। দু'জনেই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। দু'জনেই সাংসদ হয়েছেন এর আগেও। ইদের দিন কিন্তু সৌজন্যের ছবি দেখা গেল কামারহাটিতে। কথা হচ্ছে, দমদমের বিদায়ী সাংসদ সৌগত রায় এবং সেখানেরই সিপিআইএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীকে নিয়ে।
লোকসভায় ৪২ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। ২০ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপিও। তবে, এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি সিপিআইএম এবং কংগ্রেস।
এই সৌগত রায়কে নিয়েই একসময় মন্তব্য করেছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন বয়স-নীতির বিষয়টি সবে দানা পাকাতে শুরু করেছে। মমতার মতে, মনের বয়সটাই শেষ কথা, সেই হিসাবেই অবসরে যাওয়া উচিৎ। কোট-আনকোট তৃণমূলনেত্রী বলেন, ‘‘সৌগতদা বলছিলেন, বয়স হয়ে যাচ্ছে। আমি বললাম, বয়স আবার কী? মনের বয়সটাই শেষ কথা।’’
মদন মিত্র ক্ষোভ উগড়ে আরও বলেন, "সৌগত রায় তৃণমূলকর্মীদের অপমান করেন। আমি এটা কোনও ভাবেই মেনে নেব না। আর কামারহাটি বিধানসভায় যখন ওনাকে বেশি লিড দেওয়া হয়েছিল তখন থেকেই তৃণমূল কর্মীদের মনে চিড় ধরা শুরু হয়েছিল। উনি কি কামারহাটি বিধানসভার মানুষদের পরিষেবা দিয়েছেন? না! আসলে উনি এখন স্বচ্ছ হওয়া চেষ্টা করছেন। আর বাকি তৃণমূল কর্মীদের অস্বচ্ছ বোঝানোর চেষ্টা করছেন।"
প্রসঙ্গত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করছেন এবার লোকসভা ভোটে টিকিট হয়তো পাবেন না, আর সেই কারণেই তিনি এই ধরনের কথা বলছেন। যদিও এর আগেও এই ধরনের মন্তব্য করে দলকে বিপদে ফেলেছিলেন এই প্রবীণ সাংসদ।