নজরবন্দি ব্যুরোঃ কৃষকদের ধর্ণা মঞ্চে যেতে বাঁধা, সংসদে এর জবাব দেব হুঁশিয়ারি সৌগত রায়ের। আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন সৌগত রায়, ফেরত পাঠানো হল ১৫ সাংসদকেও। দিল্লি সীমান্তে গাজিপুর কৃষকদের ধর্ণা মঞ্চে কৃষকদের সঙ্গে দেখা করতে যান সৌগত রায় সহ আরও ১৫ জন সাংসদ। কিন্তু সেই দেখা অধরাই রয়ে গেল। মূল মঞ্চ থেকে দেড় কিলোমিটার দূরেই আটকে দেওয়া হয় তাঁদের । প্রথম ব্যারিকেড জোর করে পেরলেও, দ্বিতীয় ব্যারিকেড আর পেরতে পারলেন না তাঁরা। সেই সঙ্গে আটকানো হল সংবাদমাধ্যমকেও। পুলিশের দাবি, যেহেতু আগাম কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি তাই তাঁরা সেখানে যেতে পারবেন না। তবে উত্তরে সৌগত হুঁশিয়ারি দেন, এই ঘটনা তিনি সাংসদে তুলে ধরবেন।
আরও পড়ুন: আমজনতার মাথায় হাত! ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম
রাজ্য় বিধানসভায় মোদী সরকারের তিন কৃষি বিল বিরোধী প্রস্তাব আগেই পাশ হয়েছে। বিধানসভায় কৃষি বিল বিরোধী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ওয়াক আউট করেছে বিজেপি। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে বাম-কংগ্রেস। কৃষক আন্দোলনের শুরুতেই দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। এদিন তারই ফলস্বরূপ দিল্লি সীমানায় যান তৃণমূলের প্রতিনিধি। যেখানে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয় সৌগত রায়দের।
এ প্রসঙ্গে সৌগতবাবু বলেন, পুলিশ বাধা দিয়ে অত্য়ন্ত খারাপ ব্য়বহার করেছে। আজ আমরা গাজিপুর সীমানায় গিয়েছিলাম। বিষয়টা সংসদে তোলা হবে। এদিন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে কৃষকদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি ছাড়াও এনসিপি-র সুপ্রিয়া সুলে ও শিরোমণি অকালি দলের হরসিমরত কউর।
কৃষকদের ধর্ণা মঞ্চে যেতে বাঁধা, ইতিমধ্য়েই রাজ্য়সভায় দেশের কৃষক আন্দোলন নিয়ে মোদী সরকারকে বিঁধেছে তৃণমূল। দলের রাজ্য়সভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছেন, দেশের অভ্য়ন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা বলায় সরকার মুখ খুলছে। অতীতে আমেরিকার ক্ষেত্রে একই বিষয় দেখেছে ভারতবাসী।সেবার আব কি বার ট্রাম্প সরকারের ধ্বনি দেওয়া হয়েছিল। কে বলেছিলেন সেই কথা।



