নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সমস্ত মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানোর নির্দেশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও চাকরি প্রার্থীদের প্রশ্ন, আমাদের নিয়োগপত্র হাতে আসবে কবে? কেন সরকার চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে না?
এই অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া চাকরি প্রার্থীদের বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে আর কত দিন ধরে অপেক্ষা করতে হবে? প্রশ্ন তুলছেন চাকরি প্রার্থীরা।
দেখতে দেখতে স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ৭২৫ দিন ধরে ধর্না জারি রেখেছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর হবু শিক্ষকরা। এরই মধ্যে সরকারের দুর্নীতির বহর দেখে চক্ষু চড়ক গাছ হয়েছে রাজ্যবাসীর। তবুও নিয়োগ নিয়ে এখনও সুদিনের আশায় রয়েছেন তাঁরা। উৎসবের দিনে আরও একবার রাজপথে চাকরিপ্রার্থীরা। কালো পোশাকে সরকারকে বার্তা দিলেন তাঁরা।
গত তিন দফায় ৬৫০ দিনের অধিক সময় ধরে আন্দোলন জারি রেখেছেন হবু শিক্ষকরা। দীর্ঘ আন্দোলনের মাঝে কখনও কলকাতার বুকে বিরাট সমাবেশ করতে দেখা গেছে তাঁদেরকে। কিন্তু আন্দোলনেও মিলছে না সাড়া। এখন দিদিকে বলো কর্মসূচি নিলেন আন্দোলনরত হবু শিক্ষকরা।
কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে, আবার কখনও নম্বর কারচুপি করে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে নজিরবিহীন ঘটনা দেখেই বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এক চাকরি প্রার্থীর সুপারিশপত্র নকল করে এবং নিয়োগপত্র নকল করে চাকরি পেয়েছেন এক চাকরি প্রার্থী। সেটা দেখেই সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।