তিন দফায় তাঁদের আন্দোলনের সময়সীমা ৪০০ দিন পার করেছে। তবুও সরকারের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেই আন্দোলন জারি রেখেছিলেন হবু শিক্ষকরা। অবশেষে খুশির খবর, মঙ্গলবার ঈদের দিনে রেড রোডে সরকারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মামলা গ্রহণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এসএলএসটি নিয়োগে সিবিআই তদন্তে অনীহা কমিশনের? উঠছে প্রশ্ন।
৩ দিন আগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সময় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, “প্যানেলে নাম নেই, তা সত্ত্বেও কীভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের, তদন্ত করুক জয়েন্ট ডিরেক্টর। কী করে এটা হল খুঁজে বের করতে হবে সিবিআইকে। এই দুর্নীতির পিছনে কারা আছে খুঁজে বের করুক সিবিআই।
২ দিন আগেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "প্যানেলে নাম নেই, তা সত্ত্বেও কীভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের, তদন্ত করুক জয়েন্ট ডিরেক্টর। কী করে এটা হল খুঁজে বের করতে হবে সিবিআইকে। এই দুর্নীতির পিছনে কারা আছে খুঁজে বের করুক সিবিআই।
আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছিল, SSC-র শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মেধাতালিকায় নাম নেই এমন ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন। অথচ মেধাতালিকায় নাম থাকা প্রার্থীরা চলে গিয়েছে ওয়েটিং লিস্টে। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
SLST তেও ৬ ভুয়ো নিয়োগ। গণিতে ৬ নিয়োগের বিস্তারিত নথি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। ৬ নিয়োগ বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভুয়ো নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টরের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ৭ মার্চের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের।