নজরবন্দি ব্যুরোঃ আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে শিক্ষকতার মত চাকরি বিক্রির অভিযোগ উঠে এসেছে কলকাতা হাইকোর্টে। রাজ্যের মা মাটি মানুষের সরকার বঙ্গবাসীর জন্যে একাধিক মানব কল্যানমূলক প্রকল্প গ্রহন করলেও, শিক্ষকতার চাকরি এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে লাগামহীন অভিযোগে অভিযুক্ত। সেই কারনেই শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির মাথা খুঁজতে CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। কিন্তু সেই তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুনঃ আবার এল খারাপ খবর, দ্বিতীয় ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যু ইউক্রেনে!
সিঙ্গেল বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কিন্তু ২৪ ঘন্টা কাটার আগেই নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সিবিআই তদন্তের নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চায় রাজ্য সরকার। বিচারপতি সৌমেন রায়ের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয় রাজ্যের তরফে। সেই মামলার শুনানির পরেই সিবিআই তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে আগামী ২ সপ্তাহ সিবিআই তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়া হচ্ছে। ১৪ই মার্চ ফের এই মামলার শুনানি হবে। ২০১৬ সালে হওয়া শেষ শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার মেধাতালিকায় নাম থাকলেও জনৈক আজাদ আলি মির্জা ও আরও এক ব্যক্তি নিয়োগ পান। ওই ২ জনের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।
মামলার শুনানিকে SSC-র চেয়ারম্যানের কাছে হলফনামা তলব করে আদালত। ৪ জানুয়ারি SSC-র চেয়ারম্যান আদালতে হলফনামা দিয়ে যে মেধাতালিকা আদালতে জমা দেন তাতে দেখা যায় অভিযুক্ত ২ ব্যক্তির নাম নেই। এই ঘটনায় বিচারপতি অত্যন্ত বিরক্ত হন এবং সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন।
নিয়োগে দুর্নীতির মাথা খুঁজতে CBI নয়, তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের

২ দিন আগেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “প্যানেলে নাম নেই, তা সত্ত্বেও কীভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের, তদন্ত করুক জয়েন্ট ডিরেক্টর। কী করে এটা হল খুঁজে বের করতে হবে সিবিআইকে। এই দুর্নীতির পিছনে কারা আছে খুঁজে বের করুক সিবিআই।” এই কথা বলে কার্যত নজিরবিহীন নির্দেশ দেন তিনি। আজ সেই নির্দেশের উপরেই ২ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ।



