নজরবন্দি ব্যুরোঃ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে চেষ্টার কোনও খামতি রাখবে না সরকার। বিরোধীদের সমালোচনার মুখে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে নির্বাচনী প্রচারে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারে মোদি যখন এই বক্তব্য রাখছেন তখন দ্বিতীয় ভারতীয়ের মৃত্যু হল ইউক্রেনে। গতকাল মারা গিয়েছিল কর্নাটকের বাসিন্দা আর আজ পাঞ্জাবের।
আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনের পক্ষে খবর হচ্ছে? ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে হুঁশিয়ারি রাশিয়ার!
মঙ্গলবার ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার বোমা বর্ষণে মারা গিয়েছে উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা ইউক্রেনে পঠনরত ছাত্র নবীন শেখারারাপ্পা গ্যানাগৌড়। তিনি ইউক্রেনের খারকিভ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়া। দুই দেশের যুদ্ধের মাঝে পড়ে মাত্র ২১ বছর বয়সেই প্রাণ গেছে তাঁর। গতকাল সকালেবেলা সুপার মার্কেটে খাবার কিনতে গিয়েছিলেন। সেখানেই সকাল ৭ টায় রাশিয়ার বোমা বর্ষণে নিহত হন নবীন।
আর আজ বুধবার আরও এক ছাত্রের মৃত্যু হল, তবে বোমা বা গুলির আঘাতে নয়। কান ফাটানো আগ্নেয়াস্ত্রের গর্জন সহ্য করতে পারেনি সে। বিস্ফোরণের প্রবল শব্দে হৃদস্পন্দন থেমে যায় তাঁর। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয়েছে পাঞ্জাবের বাসিন্দা ইউক্রেনে পঠনরত এক ভারতীয় পড়ুয়ার। মৃতের নাম চন্দন জিন্দল। বয়স ২২ বছর।
অন্যদিকে, গতকালই রাশিয়ার বোমা হামলায় নবীনের মৃত্যু ঘিরে রাশিয়ার নিন্দায় সরব হয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। তারপরই ভারতে রাশিয়ার দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। এই বিবৃতি জারি করে দায়ি করা হয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়া কার্যত নিজের কাঁধ থেকে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে।
আবার এল খারাপ খবর, দ্বিতীয় ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যু ইউক্রেনে!

বিবৃতি জারি করে রাশিয়া দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতের সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে ইউক্রেনের সংকট নিয়ে কোনও খবর প্রকাশ করার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা দরকার। পক্ষপাতদুষ্ট খবর যাতে প্রচারিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাতে ভারতের জনগণ সঠিক তথ্য পান। তবে এই বিবৃতিতে মৃত ভারতীয় পড়ুয়া নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করা হয়নি রাশিয়ার তরফে।



