নজরবন্দি ব্যুরোঃ চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে আজই ইউক্রেনের দখন নিতে চাইছে রাশিয়া। কিন্তু একের পর এক দেশ বিরোধিতা শুরু করেছে পুতিনের দেশের। আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেনের মত মহা শক্তিধর দেশগুলোর পাশাপশি সমগ্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন পাশে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের। ভারত এখন পর্যন্ত তেমন কিছু পদক্ষেপ না নিলেও রাশিয়াকে সমর্থন করেনি। এদিকে আজ রাশিয়ার হামলায় এক ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যুর পর দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলো তুলোধনা করেছে রাশিয়ার। তাই এবার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে হুঁশিয়ারি দিল রাশিয়া!
আরও পড়ুনঃ হারতেই হবে রাশিয়া কে, হুঁশিয়ারি দিল ব্রিটেন! ইউক্রেনের পাশে পুরো ইউরোপ।


মঙ্গলবার ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার বোমা বর্ষণে মারা গিয়েছে উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা ইউক্রেনে পঠনরত ছাত্র নবীন শেখারারাপ্পা গ্যানাগৌড়। তিনি ইউক্রেনের খারকিভ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়া। দুই দেশের যুদ্ধের মাঝে পড়ে মাত্র ২১ বছর বয়সেই প্রাণ গেল তাঁর। আজ সকালেবেলা সুপার মার্কেটে খাবার কিনতে গিয়েছিলেন। সেখানেই সকাল ৭ টায় রাশিয়ার বোমা বর্ষণে নিহত হন নবীন। ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরেই একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে ভারতের তরফে।
রাশিয়ার বোমা হামলায় নবীনের মৃত্যু ঘিরে রাশিয়ার নিন্দায় সরব হয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। তারপরই ভারতে রাশিয়ার দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। এই বিবৃতি জারি করে দায়ি করা হয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়া কার্যত নিজের কাঁধ থেকে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে।
ইউক্রেনের পক্ষে খবর হচ্ছে, ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

বিবৃতি জারি করে রাশিয়া দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতের সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে ইউক্রেনের সংকট নিয়ে কোনও খবর প্রকাশ করার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা দরকার। পক্ষপাতদুষ্ট খবর যাতে প্রচারিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাতে ভারতের জনগণ সঠিক তথ্য পান। তবে এই বিবৃতিতে মৃত ভারতীয় পড়ুয়া নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করা হয়নি রাশিয়ার তরফে।


বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী যথেষ্ট সংযত। তাঁরা কোনও সাধারণ নাগরিক এবং শহরে হামলা করছে না। শুধুমাত্র সামরিক পরিকাঠামোতে আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে ৮ বছর ধরে চলতে থাকা ইউক্রেনের করা যুদ্ধে ইতি টানার জন্যই এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে ইউক্রেনে অবস্থিত সবকটি পারমাণবিক সাইট সুরক্ষিত রয়েছে। যুদ্ধবন্দিদের সাথে রাশিয়া ভাল ব্যবহার করছে।








