নজরবন্দি ব্যুরোঃ নবম-দশম সিক্ষক নিয়োগে নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি কাণ্ডে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মামলা গ্রহণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এসএলএসটি নিয়োগে সিবিআই তদন্তে অনীহা কমিশনের? উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুনঃ লাগাতার আন্দোলনে বাড়ছে শারীরিক অক্ষমতা, হাসপাতালে ভর্তি হবু শিক্ষকরা
গত ৪ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, প্যানেলে নাম নেই। তা সত্ত্বেও কিভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের। তদন্ত করুক ডিরেক্টর। কী করে হল, তা খুঁজে বের করতে হবে সিবিআইকে। ২০১৬ সালে নবম দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আজাদ আলি মির্জা ও জুঁই দাস নামে আরও একজনের বিরুদ্ধে বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তাঁদের নাম কোনওরকমভাবেই তালিকায় ছিল না। ২৮ মার্চের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা জানায় আদালত।
গোটা ঘটনার পিছনে কারা আছেন? এমনকি কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কী না তা খুঁজে বের করতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যাঁদের নির্দেশে সরকারী আধিকারিকরা এই কাজ করেছেন তাঁদেরকেও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কোন অঙ্গুলিহেলনে বেআইনি কাজ কমিশনে? ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি।
এসএলএসটি নিয়োগে সিবিআই তদন্তে অনীহা! ডিভিশন বেঞ্চে মামলা

মামলাকারীদের বক্তব্য,নবম ও দশম শ্রেণীর ইতিহাস শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে। প্যানেলে নাম না থাকলেও জুঁই দাস ও আজাদ আলি মির্জা চাকরি পেয়েছেন। পাশপাশি শেখ ইনসান আলি নামে এক ব্যক্তির নাম মেধা তালিকায় নীচের থাকা সত্ত্বেও চাকরী পেয়েছেন তিনি।



